
পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে আসানসোলে আরএসএসের বাড়িতে পুরসভা ও ভূমি রাজস্ব দফতরের কর্তারা।
শেষ আপডেট: 27 June 2024 17:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শিল্পাঞ্চল আসানসোলের বিভিন্ন জায়গায় জলা জমি ভরাট করার অভিযোগ পৌঁছেছে নবান্নে। শুক্রবার নবান্নের বৈঠকে এই প্রসঙ্গটি তোলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই এদিন দুপুরে আসানসোলের জে সি বোস লেনে একটি বাড়িতে হানা দেন আসানসোল পুরসভা, ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতর এবং পুলিশের আধিকারিকরা। জানা যায়, ওই বাড়িটি আরএসএসের।
পুকুর ভরাট করে ওই বাড়িটি নির্মাণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে পুরসভা ও ভূমি রাজস্ব দফতরের কর্তারা বাড়িতে হানা দেওয়ায় শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। কীভাবে বাড়িটি তৈরি হয়েছে, যে জমিতে বাড়ি তৈরি হয়েছে সেখানে আগে পুকুর ছিল কিনা, এবিষয়ে এলাকার লোকজনের সঙ্গেও কথা বলেন আধিকারিকরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন হিন্দু সংগঠনের আইনজীবী পীযুষকান্তি গোস্বামী। তাঁর কাছে বাড়ির দলিল, ট্যাক্স, ও অন্যান্য কাগজ দেখতে চাওয়া হয়।
আসানসোলে আরএসএসের ভবন।
প্রসঙ্গত, এদিন নবান্নের বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "একটি দল পুকুর ভরাট করে বাড়ি তৈরি করে ফেলেছে। আমাকে মলয় বলল। তৃণমূলের হলে তো ভেঙে ফেলা হয়। তাহলে আরএসএস এটা কীভাবে করল?"
মুখ্যমন্ত্রী এও বলেন, "সরকারি জমি দখল করে বাড়ি করছে। আমরা যখনই টেক ওভার করতে যাচ্ছি তখনই কোর্টে চলে যাচ্ছে আর স্টে নিয়ে চলে আসছে।" এরপরই মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় নির্দেশ দেন, পুলিশ, আরবান দফতরের সেক্রেটারি দরকার হলে প্রতিটা জেলা ভিজিট করবেন।
এরপরই দুপুরে আসানসোলে আরএসএসের ভবনে পৌঁছে যান আধিকারিকরা। আইনজীবী পীযুষকান্তি গোস্বামী বলেন, "ভবনটি আরএসএসের। সমস্ত কাগজ কেশবভবনে থাকে। ওরা বিনা নোটিসে এভাবে এসে কাগজ চাইলে কীভাবে দেব? ১৫ দিন সময় চেয়েছি।" একই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, "রাজনৈতিকভাবে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।"
যদিও অভিযোগ উড়িয়ে সরকারি আধিকারিকদের দাবি, অভিযোগ পেয়ে তারা এসেছেন। দেখে গেলেন সব। এ রকম অভিযোগ এলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সুয়োমোটো মামলাও করা হবে।