দ্য ওয়াল ব্যুরো : নতুন আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকেই মোট জাতীয় উৎপাদন বিকাশের হার মাত্র পাঁচ শতাংশ। ব্রোকিং হাউস কোটাক ইকুইটিস মঙ্গলবার বলেছে, ২০১৯-২০ সালের আর্থিক বছরে জিডিপির বিকাশের হার ৫.৮ শতাংশ ছাড়াবে না। আগামী অক্টোবর মাসে রিজার্ভ ব্যাঙ্কও রেপো রেট ৪০ বেসিস পয়েন্ট কমাতে পারে।
কোটাক জানিয়েচ্ছে, নতুন আর্থিক বছরের শুরুতে মোট জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধির ছবিটি বিশেষ আশাব্যঞ্জক নয়। এর ফলে সামান্য মুদ্রাস্ফীতিও হতে পারে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কে মনিটারি পলিসি কমিটি চলতি আর্থিক বছরে সুদের হার ৭৫ বেসিস পয়েন্ট কমাতে পারে। তার মধ্যে কেবল অক্টোবরেই হয়তো কমাবে ৪০ বেসিস পয়েন্ট।
এর আগে অগস্ট মাসে রিজার্ভ ব্যাঙ্কে মনিটারি পলিসি কমিটি রেপো রেট ৩৫ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে দেয়। অর্থনীতির বিকাশে সাহায্য করার জন্যই সুদের হার কমানো হয়েছিল।
নতুন আর্থিক বছরতের শুরুতে ধরা হয়েছিল, জিডিপির বৃদ্ধি হবে ৬.৩ শতাংশ। কিন্তু প্রথম ত্রৈমাসিকে বিকাশের যে হার দেখা গিয়েছে, তাতে পুরো আর্থিক বছরে বিকাশ ছয় শতাংশে পৌঁছবে কিনা তা নিয়ে অনেকের সন্দেহ আছে। কোটাক জানিয়েছে, নতুন আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে জিডিপি-র বৃদ্ধির হার মাত্র পাঁচ শতাংশে নেমে এসেছে। বাজারে বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা কমেছে। নতুন করে বিনিয়োগও তেমন হয়নি। তবে সরকার যেভাবে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থেকে ১ লক্ষ ৭৬ হাজার কোটি টাকা পেয়েছে, তাতে আশার আলো দেখছে কোটাক। তাদের ধারণা এর ফলে সরকারের ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। তার ফলে ঘুরে দাঁড়াবে বাজার।
গত কয়েকমাসে অর্থনৈতিক মন্দার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরে। আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে ওই সেক্টরে বিকাশ কমেছে ০.৬ শতাংশ। নির্মাণ ক্ষেত্রেও বিকাশ কমেছে। গত আর্থিক বছরের চতুর্থ ত্রৈমাসিকে নির্মাণ ক্ষেত্রে বিকাশের হার ছিল ৭.১ শতাংশ। কিন্তু সরকারি ব্যয় কমে যাওয়ার ফলে চলতি আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে নির্মাণ ক্ষেত্রে বিকাশ হয়েছে মাত্র ৫.৭ শতাংশ হারে। বিভিন্ন পরিষেবা ও রিয়েল এস্টেট ক্ষেত্রেও বিকাশের হার কমে হয়েছে ৫.৯ শতাংশ।