দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লি মেট্রোর অন্তত ২০ জন কর্মীর শরীরে ভাইরাস পজিটিভ ধরা পড়ল। এই সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন (ডিএমআরসি)। সংক্রামিত রোগীদের কারও শরীরেই উপসর্গ ধরা পড়েনি। সকলেই ‘অ্যাসিম্পটোমেটিক’ বা রোগের লক্ষণহীন বলে জানিয়েছে ডিএমআরসি।
শুক্রবার বিবৃতি দিয়ে ডিএমআরসি-র তরফে জানানো হয়েছে, সংক্রামিতদের চিকিৎসা চলছে। তাঁদের অনেকের অবস্থাই স্থিতিশীল। কোভিড সংক্রমণ যাতে না ছড়ায় তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মেট্রো রেল পরিষেবা শুরুর আগে সব কর্মীরই কোভিড টেস্ট করা হবে। তিনি জানিয়েছেন, জাতীয় রাজধানী এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যেই মূলত সংক্রমণ ধার পড়েছে। তবে সকলেই সুরক্ষিত এবং সেরেও উঠছেন ধীরে ধীরে।
ডিএমআরসি-র ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডক্টর মাঙ্গু সিং জানিয়েছেন, মেট্রো রেলের সব কর্মীকেই সোশ্যাল ডিস্টেন্সিংয়ের নিয়ম মেনে চলতে বলা হয়েছে। স্যানিটাইজিংয়ের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।
৩০ মে-র আগে মেট্রো রেল পরিষেবা চালু হবে না, পঞ্চম দফার লকডাউনে এমনটাই ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। মে মাসে দিল্লি মেট্রো রেলের তরফে একটি ছবি টুইট করে দেখানো হয়েছিল, পরিষেবা চালুর পরেও কীভাবে সামাজিক দূরত্বের নিয়ম মেনে ট্রেনে বসতে হবে। ছবিতে দেখা গিয়েছিল দুটি সিটের মাঝে দুরত্ব বাড়ানো হচ্ছে। অর্থাৎ প্রথম সিটের পরে তৃতীয় সিটে বসা যাবে।
মহারাষ্ট্রের মতো করোনা সংক্রমণের হার বাড়ছে দিল্লিতেও। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের হিসেবে দিল্লিতে এখন সংক্রামিতের সংখ্যা ২৫ হাজার। গত দু’মাসে সংক্রমণ বৃদ্ধির হার বেশি। গত বুধবারই একদিনে ১৫১৩ নতুন সংক্রমণ ধরা পড়েছিল দিল্লিতে। এই দৈনিক বৃদ্ধি নাকি ছিল মুম্বইয়ের থেকেও বেশি। হিসেব বলছে, গত এক সপ্তাহে প্রতিদিনে প্রায় হাজার জন করে নতুন সংক্রামিতের খোঁজ মিলেছে দিল্লিতে। তার আগে এই দৈনিক বৃদ্ধি ছিল ৫০০ থেকে ৮০০ জন করে।
তবে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছেন, সংক্রমণ রোখার সবরকমের চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই দিল্লির চারদিকের সব সীমান্ত বন্ধ করা হচ্ছে। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাই পাস দেখিয়ে সীমান্ত পেরোতে পারবেন।