
অনুব্রত মণ্ডল - কাজল শেখ
শেষ আপডেট: 28 September 2024 19:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো, বীরভূম: শনিবার বিকেলে বোলপুরে তৃণমূল কার্যালয়ে অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে দেখা করতে আসেন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ। এই সাক্ষাৎকারের পরেই জেলা রাজনীতিতে নানা সমীকরণের ইঙ্গিত।
মঙ্গলবার দু'বছর পর জামিনে মুক্ত হয়ে বোলপুর ফিরেছেন অনুব্রত মণ্ডল। প্রকাশ্যে কেউই কারও বিরুদ্ধে কোনও বিরূপ মন্তব্য না করলেও প্রথমেই জেলা রাজনীতির এই দুই ব্যক্তিত্বের সংঘাতের ছবিই সামনে এসেছিল। বুধবার বোলপুরে দলীয় পার্টি অফিসে নিজের অনুগামীদের সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল যখন বৈঠক করেছেন ঠিক তখনই নানুরের একটি দলীয় সভা থেকে হুঙ্কার দিয়েছিলেন কাজল শেখ। বলেছিলেন 'অনেক ঘাটের জল খেয়েছি। পাঙ্গা নিতে এসো না, চুড়ি পরে বসে নেই!' এও বলেন, "আমি পঞ্চায়েত থেকে পার্সেন্টেজ নিতে আসিনি, নদীর বালি থেকেও পয়সা নিতে আসিনি। পাঙ্গা নিতে এস না। যেদিন গোটাব সেদিন গুটিয়ে দেব।"
কাজল কারও নাম উল্লেখ করেননি। তবে অনুব্রত মঙ্গলবার তিহাড় জেল থেকে ঘরে ফেরার পর কাজলের এহেন হুঁশিয়ারি ঘিরে জল্পনা শুরু হয় দলের অভ্য়ন্তরে।
২৫ মাস জেল খেটে মঙ্গলবারই মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিহাড় থেকে জেলায় ফিরেছেন তৃণমূলের বীরভূমের প্রাক্তন জেলা সভাপতি। সেদিন কেষ্ট মণ্ডলের সঙ্গে অনেকে দেখা করতে এলেও দেখা মেলেনি বীরভূমের জেলা সভাধিপতি কাজল শেখের। এমনকী বুধবার বোলপুর পার্টি অফিসে অনুব্রতর ডাকা বৈঠকেও দেখা যায়নি তাঁকে। তারপরেই দুয়ে দুয়ে চার করে দেখার চেষ্টা হয়।
এমন আবহেই এদিন কাজল-অনুব্রতর মুখোমুখি সাক্ষাৎ। শনিবার বিকেলে প্রথমেই বোলপুর জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে এসে পৌঁছন অনুব্রত মণ্ডল। তারপরে একে একে অন্যান্য বিধায়ক ও ব্লকস্তরের নেতারাও এসে পৌঁছন। এসে পৌঁছন কাজল শেখ। বীরভূমের রাজনীতি কোন দিকে এই বৈঠকের পরেই বিষয়টা সামনে আসবে।