Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রী

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর চিকিৎসার খরচ জোগাতে চার বছরের মেয়েকে বেচতে গেলেন বাবা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গর্ভবতী স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য টাকার প্রয়োজন। কিন্তু সেই টাকা জোগাড় করতে পারেননি স্বামী। শেষে নিজের ৪ বছরের মেয়েকেই বিক্রি করতে গিয়েছিলেন বাবা। তবে পুলিশের হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত অঘটন এড়ানো গিয়েছে। কনৌজের বাসিন্দা অরবিন্দ ব

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর চিকিৎসার খরচ জোগাতে চার বছরের মেয়েকে বেচতে গেলেন বাবা

শেষ আপডেট: 31 August 2018 04:54

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গর্ভবতী স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য টাকার প্রয়োজন। কিন্তু সেই টাকা জোগাড় করতে পারেননি স্বামী। শেষে নিজের ৪ বছরের মেয়েকেই বিক্রি করতে গিয়েছিলেন বাবা। তবে পুলিশের হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত অঘটন এড়ানো গিয়েছে। কনৌজের বাসিন্দা অরবিন্দ বানজারা। সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে ভর্তি করেছিলেন জেলা হাসপাতালে। তাঁর প্রেগন্যান্সিতে দেখা গিয়েছিল কিছু জটিলতা। চিকিৎসকরা অরবিন্দকে বলেন রক্ত জোগাড় করতে হবে। কিন্তু টাকা আসবে কোথা থেকে। অনটনের সংসারে পকেটে তো টান পড়েছে অনেক আগেই। অগত্যা উপায় না দেখে নিজের ৪ বছরের মেয়েকেই বিক্রি করতে গিয়েছিলেন অরবিন্দ। তাও মাত্র ২৫হাজার টাকার বিনিময়ে। পুলিশ জানিয়েছে অরবিন্দ এবং তাঁর স্ত্রী সুখদেবীর প্রথম সন্তান চার বছরের রোশনি। তাঁদের এক বছরের একটি ছেলেও রয়েছে। নাম জানু। নিউজ এজেন্সি এএনআই-কে অরবিন্দ বানজারা জানিয়েছেন, "জেলা হাসপাতালের চিকিৎসকরা আমায় বলেন রক্তের জোগাড় না হলে আমার স্ত্রী মারা যাবেন। আমার কাছে টাকা ছিল না। কোনও উপায় ও ছিল না টাকা জোগাড় করার। কোনও পথ না পেয়েই শেষ পর্যন্ত নিজের মেয়েকে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিই আমি।" অরবিন্দের স্ত্রী সুখদেবী জানিয়েছেন, "নিজের সন্তানকে বিক্রি করা সহজ কাজ নয়। কিন্তু কী করব আমরা? আমাদের কাছে তো আর কোনও উপায় ছিল না। এর আগেও বেশ কিছু হাসপাতালে আমায় ভর্তি হতে হয়েছে। সেখানেও অনেক খরচ হয়েছে।" https://twitter.com/ANINewsUP/status/1035183910211203072 তবে গোটা ঘটনা কোনওভাবে পৌঁছয় পুলিশের কানে। না তাঁরা এই দম্পতিকে গ্রেফতার করেননি। বরং আর্থিক ভাবে সবরকম সাহায্য করেছেন। তিরওয়া থানার অফিসার আমোদ কুমার সিং জানিয়েছেন, "স্থানীয়দের থেকে আমরা জানতে পারি যে এক দম্পতির চিকিৎসার জন্য টাকা দরকার। তাঁরা খুব সমস্যায় আছে। এরপর আমরা জানতে পারি যে ওই ভদ্রমহিলার রক্তের প্রয়োজন। আর সেই জন্য দরকার টাকার। আমরা জানতে পারি ওঁদের অবস্থা এতটাই খারাপ যে টাকা জোগাড়ের জন্য নিজেদের মেয়েকে বিক্রি করতে যাচ্ছেন। এর পরেই থানার সবাই সিদ্ধান্ত নিই যে ওঁদের আর্থিক ভাবে সবরকম সাহায্য আমরা করব।" অফিসার আরও জানিয়েছেন, "গোটা বিষয়টার আমরা দেখভাল করছি। টাকা নয়। প্রয়োজনে রক্তও দেব আমরা।"

```