
শেষ আপডেট: 29 March 2023 11:45
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সেই ১৮ মার্চ পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়েছিলেন। তারপর থেকে দিল্লি, পাঞ্জাব, হরিয়ানার একাধিক রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা মিললেও খলিস্তানপন্থী নেতা অমৃতপাল সিংয়ের (Amritpal Singh) টিকিও ছুঁতে পারছিল না পুলিশ। কিন্তু তার মধ্যেই জানা গেল, আত্মসমর্পণ (surrender) করতে পারেন খলিস্তানপন্থী নেতা।
সূত্রের খবর, ভাতিন্ডা কিংবা অমৃতসরে বুধবারই আত্মসমর্পণ করতে পারেন অমৃতপাল। এর আগে পুলিশ আশঙ্কা করেছিল, পড়শি দেশ নেপালে পালিয়ে গিয়ে থাকতে পারেন অমৃতপাল। কিন্তু তারপরেই পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পাঞ্জাবে ফিরে এসেছেন খলিস্তানের প্রচারক এই নেতা। মঙ্গলবার রাতে অমৃতপালের মোবাইলের সর্বশেষ লোকেশন ছিল পাঞ্জাবের হোশিয়ারপুরের পাণ্ডরি গ্রামে। তারপরেই গ্রামটি ঘিরে ফেলেছিল পুলিশ। অমৃতপাল এবং তাঁর সঙ্গীসাথীদের ধরার জন্য গ্রামটিতে রীতিমতো বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি চালায় পুলিশ।
পালানোর পর থেকে একাধিকবার পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং দিল্লির বিভিন্ন রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছেন খলিস্তানপন্থী নেতা। পুলিশকে এড়ানোর জন্য বিভিন্ন লুকে দেখা গেছে তাঁকে। কখনও পরনে ডেনিম জ্যাকেট এবং সানগ্লাস, কখনও বা মুখে মাস্ক, কিন্তু পাগড়ি নেই মাথায়। মঙ্গলবারই দিল্লির রাস্তায় হাঁটতে দেখা গিয়েছিল অমৃতপালকে। সিসিটিভি ফুটেজে অমৃতপালের পাশাপাশি তাঁর সহযোগী পাপলপ্রীত সিংকেও দেখা গিয়েছিল। সেই ফুটেজ দেখে পুলিশের অনুমান, অমৃতপাল সিং এবং পাপলপ্রীত সিং হরিয়ানার কুরুক্ষেত্র হয়ে দিল্লিতে এসেছিলেন। তারপর রাতেই মোবাইল লোকেশন দেখে জানা যায়, হোশিয়ারপুরে রয়েছেন খলিস্তানি নেতা।
জানা গেছে, আত্মসমর্পণের আগে একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থায় সাক্ষাৎকার দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল অমৃতপালের। কিন্তু পালানোর কোনও উপায় নেই বুঝতে পেরেই সিদ্ধান্ত পাল্টান তিনি।
শিখ ধর্মের শীর্ষ দুই কমিটি অকাল তখত এবং শিরোমণি গুরুদ্বার প্রবন্ধক কমিটি গত সপ্তাহে বিবৃতি জারি করে অমৃতপালকে আত্মসমর্পণের পরামর্শ দিয়েছিল। বিবৃতিতে দুই কমিটির পক্ষ থেকেই বলা হয় আইন অমান্য করা সঠিক পথ নয়। পুলিশের কাছে ধরা দিয়ে তাঁকে আইনি লড়াই করতে বলেছে তারা।
দুই কমিটিই তাঁর বিরুদ্ধে জাতীয় সুরক্ষা আইনে মামলা করারও নিন্দা করেছে। অকালি দল ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে, তারা অমৃতপাল ও তাঁর সহযোগীদের আইনি সহায়তা দেবে।
মার্কিন গেরিলা কায়দায় ক্যাডারদের ট্রেনিং দিতে চেয়েছিলেন অমৃতপাল! দাবি পুলিশের