কিমের বিরুদ্ধে কড়া বিবৃতি আমেরিকার
ওয়াশিংটন: কিছুদিন আগে দুই কোরিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান যখন বৈঠকে বসলেন তখন মনে হয়েছিল এবার উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আমেরিকার ঝগড়া মিটে যাবে। এমনকী একথাও শোনা যাচ্ছিল যে, শীঘ্র আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক হতে পারে উত্তর কোরিয়ার নেতা
শেষ আপডেট: 4 May 2018 07:07
ওয়াশিংটন: কিছুদিন আগে দুই কোরিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান যখন বৈঠকে বসলেন তখন মনে হয়েছিল এবার উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আমেরিকার ঝগড়া মিটে যাবে। এমনকী একথাও শোনা যাচ্ছিল যে, শীঘ্র আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক হতে পারে উত্তর কোরিয়ার নেতা
কিম জং উনের। কিন্তু এরই মধ্যে উত্তর কোরিয়ায় মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে এক কড়া বিবৃতি দিয়েছে আমেরিকার বিদেশ দপ্তর। ঠিক এই সময় আমেরিকা কেন ঐরকম বিবৃতি দিল সেই নিয়ে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা কল্পনা।
গত কয়েক বছরে একের পর এক পরমাণু অস্ত্র নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে সারা বিশ্বের কাছে চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছিলেন কিম জং উন। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁকে বলতেন লিটল রকেট ম্যান। কিন্তু পরে শোনা যায়, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জাই নাকি কিমকে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসতে রাজি করিয়েছেন। তখন সুর বদলে ট্রাম্পও বলেন, কিম হলেন এক সম্মানিত ব্যক্তি।
তার পরেই উত্তর কোরিয়ার কঠোর নিন্দা করেছে আমেরিকার বিদেশ দপ্তর। তাদের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে উত্তর কোরিয়ায় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। এক লক্ষেরও বেশি মানুষ নানা অভিযোগে জেলে বন্দি আছেন। অভিযুক্তদের পরিবারের লোকজন এমনকী শিশুরাও ছাড় পায়নি। উত্তর কোরিয়ার সরকার নাগরিকদের সবরকম মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে। এই অত্যাচারী সরকারের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য অনেকে দেশ ছেড়ে পালতে চেষ্টা করে। কিন্তু পালতে গিয়ে যদি কেউ ধরা পরে তবে তার পরিণতি হয় মারাত্মক। তার ওপরে ভয়াবহ অত্যাচার করা হয়। কখনও তাকে খুন করে ফেলা হয়।
আমেরিকার বিদেশ দপ্তর থেকে এমন বিবৃতি দেওয়ায় অনেকে ভাবছেন, সম্ভবত ট্রাম্প এখনই কিমের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন না। আবার অনেকের ধারণা, ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের আগে কিমের ওপরে চাপ বাড়ানোর জন্যই ঐরকম বিবৃতি দিয়েছে আমেরিকা।