Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!

কিমের বিরুদ্ধে কড়া বিবৃতি আমেরিকার

ওয়াশিংটন: কিছুদিন আগে দুই কোরিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান যখন বৈঠকে বসলেন তখন মনে হয়েছিল এবার উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আমেরিকার ঝগড়া মিটে যাবে। এমনকী একথাও শোনা যাচ্ছিল যে, শীঘ্র আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক হতে পারে উত্তর কোরিয়ার নেতা

কিমের বিরুদ্ধে কড়া বিবৃতি আমেরিকার

শেষ আপডেট: 4 May 2018 07:07

ওয়াশিংটন: কিছুদিন আগে দুই কোরিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান যখন বৈঠকে বসলেন তখন মনে হয়েছিল এবার উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আমেরিকার ঝগড়া মিটে যাবে। এমনকী একথাও শোনা যাচ্ছিল যে, শীঘ্র আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক হতে পারে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের। কিন্তু এরই মধ্যে উত্তর কোরিয়ায় মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে এক কড়া বিবৃতি দিয়েছে আমেরিকার বিদেশ দপ্তর। ঠিক এই সময় আমেরিকা কেন ঐরকম বিবৃতি দিল সেই নিয়ে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা কল্পনা। গত কয়েক বছরে একের পর এক পরমাণু অস্ত্র নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে সারা বিশ্বের কাছে চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছিলেন কিম জং উন। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁকে বলতেন লিটল রকেট ম্যান। কিন্তু পরে শোনা যায়, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জাই নাকি কিমকে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসতে রাজি করিয়েছেন। তখন সুর বদলে ট্রাম্পও বলেন, কিম হলেন এক সম্মানিত ব্যক্তি। তার পরেই উত্তর কোরিয়ার কঠোর নিন্দা করেছে আমেরিকার বিদেশ দপ্তর। তাদের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে উত্তর কোরিয়ায় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। এক লক্ষেরও বেশি মানুষ নানা অভিযোগে জেলে বন্দি আছেন। অভিযুক্তদের পরিবারের লোকজন এমনকী শিশুরাও ছাড় পায়নি। উত্তর কোরিয়ার সরকার নাগরিকদের সবরকম মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে। এই অত্যাচারী সরকারের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য অনেকে দেশ ছেড়ে পালতে চেষ্টা করে। কিন্তু পালতে গিয়ে যদি কেউ ধরা পরে তবে তার পরিণতি হয় মারাত্মক। তার ওপরে ভয়াবহ অত্যাচার করা হয়। কখনও তাকে খুন করে ফেলা হয়। আমেরিকার বিদেশ দপ্তর থেকে এমন বিবৃতি দেওয়ায় অনেকে ভাবছেন, সম্ভবত ট্রাম্প এখনই কিমের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন না। আবার অনেকের ধারণা, ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের আগে কিমের ওপরে চাপ বাড়ানোর জন্যই ঐরকম বিবৃতি দিয়েছে আমেরিকা।

```