Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?১৮০ নাবালিকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শোষণ! মোবাইলে মিলল ৩৫০ অশ্লীল ভিডিও, ধৃতের রয়েছে রাজনৈতিক যোগ ৩৩ বছর পর মুখোমুখি ইজরায়েল-লেবানন! ওয়াশিংটনের বৈঠকে কি মিলবে যুদ্ধবিরতির সমাধান?ইউরোপের আদালতে ‘গোপনীয়তা’ কবচ পেলেন নীরব মোদী, জটিল হচ্ছে পলাতক ব্যবসায়ীর প্রত্যর্পণ-লড়াইইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরও

আমাজন থেকে গঙ্গায় এল রাক্ষুসে মাগুর! মণিপুরের পর বারাণসী, উদ্বিগ্ন মৎস্য বিশেষজ্ঞরা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দক্ষিণ আমেরিকাই এদের বসবাসের উপযুক্ত জায়গা। ব্রাজিল ও পেরুর আমাজন নদীতেই (Amazon river) বেশি দেখা মেলে এদের। দেশীয় মাগুরের থেকে অনেকটাই আলাদা, আরও বেশি আক্রমণাত্মক। হুড়মুড়িয়ে বাড়তে থাকে সংখ্যায়। ছোট পুকুর বা হ্রদের

আমাজন থেকে গঙ্গায় এল রাক্ষুসে মাগুর! মণিপুরের পর বারাণসী, উদ্বিগ্ন মৎস্য বিশেষজ্ঞরা

শেষ আপডেট: 24 June 2022 04:10

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দক্ষিণ আমেরিকাই এদের বসবাসের উপযুক্ত জায়গা। ব্রাজিল ও পেরুর আমাজন নদীতেই (Amazon river) বেশি দেখা মেলে এদের। দেশীয় মাগুরের থেকে অনেকটাই আলাদা, আরও বেশি আক্রমণাত্মক। হুড়মুড়িয়ে বাড়তে থাকে সংখ্যায়। ছোট পুকুর বা হ্রদের জলে এদের আমদানি হলে জলের পরিবেশই বিগড়ে দিতে পারে কয়েকদিনেই। এমনই রাক্ষুসে মাগুরের (Giant fish) খোঁজ মিলেছে বারাণসীর (Varanasi) গঙ্গায়! কোথা থেকে, কীভাবে এই মাছ বারাণসী চলে এল, সেটা বুঝেই উঠতে পারছেন না মৎস্য বিশেষজ্ঞরা।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, বারানসীর রামনগরে রমনার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া গঙ্গা নদীতে মাছটি পাওয়া গেছে। এর আকৃতি অদ্ভুত। দেহের গঠন এবং গায়ের রঙ দেখে বিজ্ঞানীরাই বলেন, মাছটি আমাজন নদীর মাছ। নাম সাকারমাউথ ক্যাটফিশ। বিজ্ঞানীরা আরও জানানস মাছটি মাংসাশী। ফলে এটি গঙ্গার বাস্তুতন্ত্র নষ্ট করে ফেলতে পারে। গঙ্গার ছোটখাটো মাছেদের খেয়ে ফেলবে সে।

তথ্য বলছে, এর পোশাকি নাম ‘আমাজন সেইলফিন ক্যাটফিস’। অনেকে এই মাছকে  ‘সাকারমাউথ ক্যাটফিশ’ (Suckermouth Catfish)। সাধারণত ক্রান্তীয় এলাকার পরিষ্কার জলেই এই মাছ জন্মায়। আমাজনে এর বসবাস। বিশেষজ্ঞরা এই মাছকে আবার  ‘Leopard Pleco’ বলেন। দৈর্ঘ্যে এক ফুটের কাছাকাছি। ওজন ৩১০ গ্রাম বা কখনও তারও বেশি হয়। খুব তাড়াতাড়ি বংশবৃদ্ধি করতে পারে। জলের শ্যাওলাই এদের খাদ্য, তবে ছোট মাছ, গেঁড়ি-গুগলিও খেতে দেখা গেছে এই সেইলফিন ক্যাটফিশদের। এরা এত তাড়াতাড়ি সংখ্যায় বাড়ে যে জলের পরিবেশের ভারসাম্যই বিগড়ে দেয়। অন্যান্য মাছের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধিতে বাধা আসে।

তবে এই প্রথম যে ভারতে দেখা গেল এই মাছ, তা নয়। ২০১৮ সালে মাদুরাইতে এমন রাক্ষুসে মাগুরের আগমনে জলের বাকি মাছদের মধ্যে মড়ক শুরু হয়ে গিয়েছিল। বিহারের গঙ্গায় এবং অসমের ব্রহ্মপুত্র নদেও এই মাছ একবার দেখা গিয়েছিল বেশ কয়েক বছর আগে। এর পরে মণিপুরের বিষ্ণুপুর জেলার হ্রদে এই মাছ ধরা পড়ে ২০২০ সালের ২২ এপ্রিল। রাজ্যের ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব এগ্রিকালচার রিসার্চের (ICAR) বিজ্ঞানী ডক্টর বসুধা দেবী বলেন, “হ্রদের জলে এমন মাছ থাকা মোটেও ভাল কথা নয়। জলজ বাস্তুতন্ত্রের উপর প্রভাব ফেলবে। অন্যান্য মাছের সংখ্যা কমতে থাকবে।”

প্রশ্ন উঠেছে, সুদূর আমাজনের এই মাছ এ দেশে আসছে কীভাবে? মনে করা হচ্ছে, ব্যবসায়িক কারণে কেউ অ্যাকোরিয়ামে রেখেছিলেন মাছটি। ভুল করে হয়তো সেই মাছ নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন) জানিয়েছেস নদী হোক, পুকুর বা হ্রদ, সব জায়গাতেই জলের নিজস্ব একটা বাস্তুতন্ত্র আছে। চাপ তাপ, অম্লতা, জলজ জীব সবকিছু মাপকাঠি আছে। সেখানে আচমকাই বাইরে থেকে কোনও ভিন্ প্রজাতি চলে এলে বাস্তুতন্ত্রের উপরে তার বড় প্রভাব পড়ে। ভারসাম্যই বদলে যায়। এই মাছের সংখ্যা বেড়ে গেলে এমনটাই হতে পারে।

ক্যানসারে সব শেষ, প্রেমিকার পরিবারও সরে গেছিল, বাঁশদ্রোণীর যুগলের আত্মহত্যায় মর্মান্তিক তথ্য


```