অধীরের মোবাইল নম্বর দেওয়ার মাধ্যমে সরাসরি সাহায্যের আশ্বাস ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তৈরি হয়েছে। অনেকের মতে, এটা কেবল রাজনৈতিক বার্তা নয়, বরং দিল্লিতে থাকা বাঙালিদের মধ্যে একরকম নিরাপত্তা দেওয়ার কৌশলও।

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 30 July 2025 20:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজধানী দিল্লিতে (Delhi) বাংলা ভাষাভাষী মানুষদের (bengali families) উপর নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা অব্যাহত। এমন পরিস্থিতিতে লোকসভার প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা ও কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী (Adhir Chowdhury) জানিয়ে দিলেন, “যদি দিল্লিতে কোনও বাঙালি পরিবারকে বাংলাদেশি সন্দেহে হেনস্থা করা হয়, আমায় সরাসরি ফোন করুন। আমি সব দেখে নেব।”
বুধবার সংবাদমাধ্যমে অধীরবাবু বলেন, “দিল্লির নানা কলোনিতে লক্ষ লক্ষ বাঙালি থাকেন, আমি নিজেও তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখি। এখনও পর্যন্ত নির্যাতনের কোনও সংগঠিত বা বড় অভিযোগ পাইনি। তবে কেউ সমস্যায় পড়লে ফোন করুন, আমি পাশে থাকব।”
এ প্রসঙ্গে অধীর এও বলেন, কোভিডের সময় প্রতিদিন দেড় দুহাজর ফোন সামলেছি। ফলে প্রচুর মানুষ ফোন করলেও তা ধরে কথা বলার অভ্যস্ততা আমার রয়েছে।
অধীরের মোবাইল নম্বর দেওয়ার মাধ্যমে সরাসরি সাহায্যের আশ্বাস ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তৈরি হয়েছে। অনেকের মতে, এটা কেবল রাজনৈতিক বার্তা নয়, বরং দিল্লিতে থাকা বাঙালিদের মধ্যে একরকম নিরাপত্তা দেওয়ার কৌশলও।
সম্প্রতি দিল্লিতে মালদহের একটি বাঙালি পরিবারকে হেনস্থার অভিযোগ ওঠে। দাবি, ভাষার কারণে তাঁদের বাংলাদেশি সন্দেহে মারধর করে দিল্লি পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নির্যাতিতার পরিবারকে পাশে নিয়ে তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক থেকে কুণাল ঘোষ, ফিরহাদ হাকিমরা বলেন, দিল্লি পুলিশ প্রথমে অত্যাচার করে, পরে সেটাকে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। এ ব্যাপারে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে কলকাতা পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছে পরিবারটি।
এ প্রসঙ্গে অধীর বলেন, “সত্যিই যদি এমন কিছু ঘটে থাকে, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু রাজনীতি করা বন্ধ হোক। বাঙালির নাম করে বাংলারই ক্ষতি হচ্ছে।” কংগ্রেসের অভিযোগ, ভোটের মুখে চাকরি দুর্নীতি, বেকারত্বের মতো ইস্যু থেকে নজর ঘোরাতে তৃণমূল এখন বাঙালি ইমোশনকে হাতিয়ার করছে।