চিকিৎসক শান্তনু সেনের (রেজিস্ট্রেশন দু'বছরের জন্য বাতিল করেছে রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল।

অধীর চৌধুরী।
শেষ আপডেট: 4 July 2025 15:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চিকিৎসক শান্তনু সেনের (Santanu Sen) রেজিস্ট্রেশন দু'বছরের জন্য বাতিল করেছে রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল। যা নিয়ে বিতর্ক ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। আর এবার সেই বিতর্কে মুখ খুললেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী (Adhir Chowdhury)।
তাঁর অভিযোগ, “আরজি কর কাণ্ডে (R G Kar Case)তৃণমূলের বিরুদ্ধে মুখ খোলার চেষ্টা করেছিলেন শান্তনু সেন। তার খেসারত দিচ্ছেন তিনি। তৃণমূলকে অপদস্থ করার চেষ্টা করলে শাস্তি অবধারিত— সেটাই প্রমাণ হল।”
কেবল এই ইস্যু নয়, বিজেপির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও সুর চড়িয়েছেন অধীর। তাঁর কথায়, “বিজেপি বুঝতে পারছে মুসলিম ভোটের গুরুত্ব কতটা। তাই পুরোনো কৌশলেই ফিরছে— একদিকে কঠোর হিন্দুত্বের মুখোশ, অন্যদিকে নরম ভাবমূর্তি তৈরি করার চেষ্টা। আসলে এজেন্ডা তাদের বদলায়নি, শুধু নাটক করছে।”
কসবা কাণ্ড থেকে শুরু করে রাস্তা নির্মাণের নামে দুর্নীতি— সবেতেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন অধীর। বলেছেন, “কসবায় এত বড় ঘটনা ঘটে গিয়েছে, অথচ মুখ্যমন্ত্রী নিশ্চুপ। বাংলায় যা অপরাধ, তার নায়িকা মুখ্যমন্ত্রী নিজেই। তৃণমূল নেতাদের পেট ভরাতে বাংলার কোষাগার উজাড় করে দেওয়া হচ্ছে।”
বর্ষাকালে রাস্তার কাজ হওয়া নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি। অধীর বলেন, “বর্ষায় কাজ মানেই বেশি লুট। লুট হলে তবেই তো তৃণমূল নেতাদের পেট ভরবে! এটাই ওদের ভোটের ছক— আগে ভোটে জেতো, তারপর ধারে-কাঁধে যা পাচ্ছো, লুটে নাও।”
সম্প্রতি রাজ্যের একাধিক জায়গায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ঘিরে বিক্ষোভ ও মারামারির ঘটনা প্রসঙ্গে অধীর বলেন, “এটা তৃণমূলের ভিতরের দ্বন্দ্ব। কিন্তু সেটাকে সব সংখ্যালঘু সমাজের সঙ্গে টেনে মেলানো ঠিক নয়। সাধারণ মানুষ এসবের মধ্যে নেই।”
রাজ্য রাজনীতির প্রতিটি ইস্যুতে একে একে আক্রমণ শানিয়ে কার্যত কংগ্রেসের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন অধীর চৌধুরী। এখন দেখার, এই মন্তব্যগুলির পাল্টা কী আসে তৃণমূল বা বিজেপির দিক থেকে।