
শুভেন্দু অধিকারী ও বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।
শেষ আপডেট: 22 February 2025 12:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে প্রথমে সাসপেন্ড এবং পরে তাঁর বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের অভিযোগ আনার প্রতিবাদে স্পিকারের ভূমিকার নিন্দা করে বুধবার বিধানসভার বাইরে বিক্ষোভ দেখাল আরএসএসের শাখা সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে রাজ্য বিধানসভায় শুরু হয়েছে বাজেট অধিবেশন। গত সোমবার বিধানসভায় বিশৃঙ্খলার অভিযোগ বিরোধী দলনেতা-সহ চার বিজেপি বিধায়ককে এক মাসের জন্য সাসপেন্ড করেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকী সাসপেন্ডের পরও সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগে বিধানসভার প্রিভিলেট কমিটির তরফে মঙ্গলবার বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়।
এরই প্রতিবাদে এদিন এবিভিপির বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বিধানসভা চত্বরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। তবে বিধানসভার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীরা তৎপর হওয়ায় বড় কোনও গোলমালের ঘটনা ঘটেনি।
বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, তৃণমূলের কারচুপির বিরুদ্ধে বিধানসভার কক্ষে যাতে বিরোধীরা সরব না হতে পারেন, তাই শুভেন্দু-সহ চার বিজেপি বিধায়ককে সাসপেন্ড করা হল। স্পিকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলার গণতন্ত্র ধ্বংসের পথে বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই বিধানসভার স্পিকার জানিয়েছিলেন, "উনি যে ধরনের প্ররোচনামূলক মন্তব্য করে চলেছেন তারপরও বাংলা শান্ত রয়েছে এটাই বড় কথা। এই ধরনের বিবৃতির জন্য মানুষের কাছে ওর ক্ষমা চাওয়া উচিত!" এমনকী শুভেন্দু ক্ষমা চাইলে ওর শাস্তির মেয়াদ কমানো হতে পারে বলেও জানিয়েছিলেন বিমানবাবু।
পাল্টা হিসেবে স্পিকারের শোকজ পদ্ধতিকে অবৈধ আখ্যা দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা। এদিন তাঁর সুরে বিক্ষোভকারীরা বলেন, বিধানসভার ভেতরেও বিরোধীদের মুখ বন্ধ করা হচ্ছে। আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার মানুষ এর যোগ্য জবাব দেবে।