
শেষ আপডেট: 8 October 2023 23:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে এখন লাগাতার তল্লাশি অভিযান চলছে। কদিন আগে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিলেন ইডির গোয়েন্দারা। সেই সঙ্গে উত্তর চব্বিশ পরগনার বেশি কিছু পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের বাড়িতে তল্লাশি চলে।
রবিবার আবার ওই তদন্তের সূত্রের রাজ্যের পুর মন্ত্রী তথা কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিমের বাড়িতে তল্লাশি চালায় সিবিআই। একই সঙ্গে প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্রর বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছেন সিবিআইয়ের অফিসাররা।
সিবিআই কর্তারা চলে যাওয়ার পর মদন রাজভবনের সামনে তৃণমূলের ধর্না মঞ্চে আসেন। সেখানে তাঁর বক্তৃতায় দাবি করেন, সিবিআই অফিসাররা তাঁর বাড়িতে বসে ভারত-অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট ম্যাচও দেখেছেন। কোহলি ক্যাচ ধরতেই তাঁরা উৎসাহে লাফিয়ে ওঠেন।
পরে এই প্রসঙ্গ টেনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কদিন আগে খাদ্য মন্ত্রী রথীন ঘোষের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। ভোর ৬টায় ওঁর বাড়িতে ঢুকেছে আর রাত ১টায় বেরিয়েছে। অভিষেকের কথায়, “আমি রথীন দাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, এতক্ষণ কী করল? রথীন দা জানিয়েছেন, তাঁর খাটে নাকি ঘুমিয়েছেন ইডির লোকজন”।
সিবিআই ও ইডিকে তৃণমূল কৌশলগত ভাবে মস্করার জায়গায় নিয়ে আসতে চাইছে কিনা সেটা অবশ্য এটুকুতেই বোঝা যাবে না। তবে এটা ঠিক যে, তৃণমূল থেকে শুরু করে জাতীয় স্তরে মোদী বিরোধীরা একযোগে এটা প্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট যে এই দুই কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিল্লির রাজনৈতিক প্রভুদের কথায় চলে। রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলে এদের এখন হাতিয়ার করে নিয়েছে কেন্দ্রের সরকার।
পর্যবেক্ষকদের মতে, এহেন পরিস্থিতিতে রাজ্য বিজেপি নেতারাও এখন ইডি-সিবিআই প্রসঙ্গে কম কথা বলছেন। তাঁরা বোঝাতে চাইছেন, বাংলায় নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে যে তদন্ত চলছে তা কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে চলছে। আদালতই নির্দেশ দিয়েছে সময় বেঁধে তদন্ত শেষ করতে হবে। সুতরাং এই তদন্তের উপর কেন্দ্রের সরকারের কোনও প্রভাব নেই।