রাজনীতি ও শরীরচর্চা— দুই মঞ্চেই সমান তালে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মিছিল শেষে মঞ্চে পুশ আপ দিলেন তৃণমূল নেতা, ভাইরাল মুহূর্তে মুগ্ধ দর্শকরা।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
শেষ আপডেট: 5 November 2025 00:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজনীতির ব্যস্ততার মাঝেও শরীরচর্চার গুরুত্ব যেন ভোলেন না তিনি। বরাবরই শরীর সচেতন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। কখনও কলকাতা পুলিশের ম্যারাথনে দৌড়, কখনও বা জিমে ঘাম ঝরানো (fitness)। সবেতেই তিনি প্রমাণ করেছেন, ফিটনেস তাঁর জীবনের অঙ্গ। এবার আরও একবার সেই দৃষ্টান্তই রাখলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে মঞ্চে উঠে পুশ-আপ (push-up) দিতে দেখা গেল তাঁকে। মুহূর্তেই সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলকাতায় তরুণ উদ্যোগপতি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন অভিষেক। সেখানে উপস্থিত অতিথিদের সঙ্গে কথোপকথনের ফাঁকেই এক অনন্য দৃশ্য দেখা গেল। মঞ্চেই পুশ-আপ করলেন তৃণমূল নেতা। পাশে থাকা কয়েকজন তরুণ উদ্যোক্তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে একটানা পুশ-আপ দিতে থাকেন তিনি।
কয়েক মিনিটের মধ্যেই ওঠে করতালির ঝড়। উপস্থিত উদ্যোক্তারা, অতিথিরা এবং দলের কর্মীরাও মুগ্ধ হয়ে যান অভিষেকের ফিটনেসে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এই দিনেই ধর্মতলা থেকে জোড়াসাঁকো পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার পথ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে হেঁটেছেন অভিষেক। ছিল এসআইআর বিরোধী মিছিল। দুপুরে দীর্ঘ হাঁটাহাঁটির পর সন্ধ্যায় বালিগঞ্জের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে, যেভাবে তিনি একের পর এক পুশ-আপ দেন, তা দেখে অবাক সকলেই।
কিছুদিন আগেই জিমে ওয়ার্কআউট করার সময় একটি সেলফি পোস্ট করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুহূর্তের মধ্যে সেই ছবি ভাইরাল হয়। নেটিজেনরা মুগ্ধ হন তাঁর পেশিবহুল শরীর দেখে। এবার এই নতুন ভিডিও দেখে আরও একবার সেই প্রশংসার ঝড় বয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
মঙ্গলবার কলকাতায় তরুণ শিল্পপতি ও উদ্যোগপতিদের সঙ্গে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মিটিং ছিল। উদ্যোক্তাদের সংগঠন EO Kolkata Chapter-এর আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বাংলার শিল্পক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
অভিষেক বলেন, “বাংলা আজ এক অর্থনৈতিক নবজাগরণের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্য পরিকাঠামো, মানবসম্পদ, উদ্ভাবন ও শাসনব্যবস্থার ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব অগ্রগতি করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “শিল্প ও সরকার কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং একে অপরের সহযোগী। একসঙ্গে চলার মাধ্যমেই আমরা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই এবং বিশ্বমানের বৃদ্ধির গল্প তৈরি করছি।”অভিষেকের কথায়, এই সহযোগিতার লক্ষ্য একটাই। এমন একটি বাংলা গড়ে তোলা, যা কর্মসংস্থান দেবে। নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দেবে এবং আগামী দশকগুলিতে ভারতের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।