দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত ১৮ এপ্রিল দক্ষিণ দিল্লিতে এক চিকিৎসক আত্মহত্যা করেন। ৫২ বছর বয়সী ওই ডাক্তার গলায় দড়ি দিয়েছিলেন। তিনি সুইসাইড নোটে লিখে গিয়েছেন, আপের বিধায়ক প্রকাশ জারওয়াল তাঁকে হেনস্থা করেছেন। তাই তিনি চরম পথ বেছে নিচ্ছেন। পুলিশ বিধায়কের বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও ডাক্তারকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ করেছে। তাঁর বিরুদ্ধে আদালত জারি করেছে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা। বিধায়ক অবশ্য আগেই গা ঢাকা দিয়েছেন।
বিধায়কের অনুগামী কপিল নাগারের বিরুদ্ধেও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তিনিও নিখোঁজ হয়েছেন। পুলিশ এর আগে দু’বার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিধায়ক ও তাঁর সঙ্গীকে ডেকে পাঠায়। কিন্তু তাঁরা যাননি। বৃহস্পতিবার পুলিশ জারওয়ালের বাবা ও ভাইদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।
আত্মঘাতী ডাক্তারের ছেলে পুলিশকে বলেছেন, তাঁর বাবা একটি ক্লিনিক চালাতেন। তাছাড়া ২০০৭ সাল থেকে দিল্লি জল বোর্ডে জল সরবরাহ করতেন। এর আগে জারওয়াল বলেছিলেন, গত ১০ মাসে তাঁর সঙ্গে ওই চিকিৎসকের কথাই হয়নি। তাঁর কথায়, “আমি মিডিয়া মারফৎ জানতে পেরেছি, এক চিকিৎসক আত্মহত্যা করেছেন। তিনি ওয়াটার ট্যাঙ্কারের ব্যবসায় যুক্ত ছিলেন। তাঁর সুইসাইড নোটে নাকি আমার নাম আছে।” বিধায়ক দাবি করেন, “আমি নির্দোষ। গত ১০ মাসে তাঁর সঙ্গে আমার একবারও কথা হয়নি।”
জারওয়াল দাবি করেন, ২০১৭ সালে এক নিউজ চ্যানেল তাঁর সম্পর্কে স্টিং অপারেশন করে। তখন তাঁর নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ট্যাঙ্কার মাফিয়া’। পরে তাঁর গাড়িগুলিকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়।
বিধায়ক বলেন, “আমাকে আগেও ফাঁদে ফেলার চেষ্টা হয়েছে। অতীতে আমি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করেছি। এবারও করব। আমি পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা করতে রাজি।”