
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 4 April 2025 16:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। এসএসসি মামলায় (SSC Case) ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি বাতিল হয়েছে। এদের মধ্যে ছিলেন ক্যানিংয়ের (Canning) এক শিক্ষিকাও (Teacher)। শীর্ষ আদালতের রায় শোনার পর স্বাভাবিকভাবেই ভেঙে পড়েছিলেন। আর তারপরই তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তবে কপালজোরে বেঁচে গেছেন ওই তরুণী।
রুম্পা সিং নামের ওই তরুণী আদতে মেদিনীপুরের বাসিন্দা। চাকরি করতেন ক্যানিংয়ের একটি স্কুলে। সেখানেই ভাড়া বাড়িতে থাকেন। আর্থিক সমস্যার কারণে কিছুজনের থেকে টাকা ধার করেছিলেন তিনি। ধীরে ধীরে শোধও দিচ্ছিলেন। তবে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে তাঁর চাকরি চলে যাওয়ার পরই তাঁর বাড়িতে পাওনাদাররা আসে বলে সুইসাইড নোটে দাবি করেছেন তিনি। দ্রুত টাকা ফেরতের কথা বলা হয় তাঁকে। টাকা কোথা থেকে ফেরত দেবেন বা আগামী দিন কীভাবে কাটাবেন, তা ভেবে উঠতে পারছিলেন না রুম্পা। তাই এই সিদ্ধান্ত নেন তিনি বলে জানিয়েছেন।
বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই শিক্ষিকা। তাঁকে ঘর থেকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করেছিলেন বাড়ির মালিকই। তারপর তিনি পুলিশে খবর দেন। পুলিশই রুম্পার ঘর থেকে ওই নোট উদ্ধার করে। তাতে ওই শিক্ষিকা জানিয়েছেন, প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর নতুন করে শুরু করেছিলেন তিনি। মা-বাবা, প্রেমিককে নিয়ে ভালই চলছিল। তবে বাজারে অনেক দেনা রয়েছে। এখন চাকরি চলে যাওয়ায় এই ইস্যুতেই কার্যত ঘুম উড়েছিল তাঁর।
চিঠিতে তিনি এমনও অভিযোগ করেন যে, পাওনাদাররা বাড়িতে হামলা শুরু করেছিলেন। যারা সহযোগিতা করার চেষ্টা করে তাঁদেরও অভিযুক্তরা হেনস্থা করে। তরুণী জানান, একে চাকরি হারানোর যন্ত্রণা, তার উপর পাওনাদারের চাপ, সবমিলিয়ে প্রবল মানসিক চাপে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন।