
শেষ আপডেট: 9 November 2023 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: এলাকায় নেই বিদ্যুৎ। বৃষ্টি হলেই কাদায় হাঁটু ডুবে যায়। স্কুল-কলেজের পড়ুয়াদের গ্রাম থেকে পিচের রাস্তা পর্যন্ত পৌঁছতে কালঘাম ছুটে যায়। এমনই এক গ্রাম রয়েছে ঝাঁ চকচকে নিউটাউনের পাশেই। এলাকার নাম পুকুরহাট। ভাঙড় ২ ব্লকের আওতাধীন বেঁওতা ২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার হাঁনাখালি অঞ্চলের মধ্যে পড়ে এই গ্রাম।
বিদ্যুৎ, রাস্তা, জল সরবরাহের দিক থেকে এখনও এই গ্রাম অনেকটাই পিছিয়ে। কলকাতার থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে থাকা এই গ্রামে নেই পাকা বাড়িও। গ্রামের চারিপাশ মাছের ভেরিতে ঘেরা।
হাঁনাখালির গ্রামে মোট ৪৪ টি পরিবারের বসবাস। ভোটার সংখ্যা ২০০ থেকে ২৫০-র মধ্যে। এলাকার মানুষের অভিযোগ, ভোটের সময় নেতারা এলাকা ঘুরে বড় বড় প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ৭৬ বছর পার হয়ে গেলেও গ্রামে এখনও বিদ্যুৎ আসেনি। পাল্টায়নি রাস্তাঘাটের চেহারা।
গ্রামের এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, বর্ষায় এলাকার প্রত্যেকে গামবুট ব্যবহার করেন। বিদ্যুৎ না থাকায় সন্ধে নামলেই ঘুটঘুটে অন্ধকারে ঢেকে যায় গোটা গ্রাম। নিউটাউনের এত কাছে থেকেও লাভ কিছু হয়নি তাঁদের।
আরও এক গ্রামবাসী তৃণমূলের নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে জানান, দলের একশ্রেণির নেতারা ঘর দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়েছেন। কিন্তু এখনও কেউ ঘর পাননি। এমন অবস্থায় বেঁওতা ২ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান শেখ সাবির আলিকে এলাকার মহিলারা ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান। যদিও সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধান করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন সাবির।
তিনি জানিয়েছেন, “বিষয়টি নিয়ে শওকত মোল্লা সাহেবকে জানাব। আশা করছি তিনি নিশ্চয় এই গ্রামের সমস্যাগুলির সমাধান করতে ব্যবস্থা নেবেন।“