
শেষ আপডেট: 23 December 2018 04:35
এমাসের ১৯ তারিখে, ভিডিওটি তুলেছিলেন অ্যালেক্স ডুড নামে এক ব্যক্তি। ভিডিওটি দেখে ব্লেক ও ব্যারেট ভাইরা জানিয়েছেন, "বস্তুটি অতিকায় এবং নিঃশব্দে ও মসৃণ ভাবে পেন্টাগনের মাথার ওপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছিল। আমরা নিশ্চিত এটা এলিয়েনদের মহাকাশ যান"। কিন্তু ভিডিওটির দর্শকরা বলছেন ওটি একটি অতিকায় বেলুন। কিন্তু পিরামিড শেপের বেলুন হয়? তাছাড়া আমেরিকারর আকাশে এখন মাছি উড়লেও নাকি রাডারে ধরা পড়ে। অথচ লগ বুকে এমন কিছু লেখা নেই। তাহলে বস্তুটি কী?
কিন্তু এ নিয়ে পেন্টাগনের তরফে এখনও কোনও বিবৃতি আসেনি। ১৯৬০ সাল থেকেই আমেরিকার সুরক্ষা দপ্তর Project Blue Book নামে একটি প্রজেক্ট চালিয়ে আসছে। এই প্রজেক্টের বিজ্ঞানীরা UFO (Unidentified flying object) নিয়ে গবেষণা করে আসছেন। কারণ আমেরিকাবাসী প্রায় UFO দেখেন। তাঁরা মনে করেন এগুলি ভিনগ্রহবাসীদের মহাকাশযান। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিমানের পাইলট, জাহাজের ক্যাপ্টেন, এমনকি সাধারণ মানুষ ক্যামেরাবন্দী করেছেন অজানা আকাশযান। পেন্টাগন এই Blue Book প্রজেক্টে কোটি কোটি ডলার খরচ করে চলেছে। না, পেন্টাগন আদৌ নাসার মতো ভিনগ্রহের জীব বা এলিয়েন আবিস্কারে আগ্রহী নয়।
তারা আমেরিকার আকাশকে বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে সুরক্ষা দিতে চায়। রাডারে ধরা না পড়া নিঃশব্দ আকাশযানে তাদের আতঙ্ক। তাই চলছে UFO নিয়ে গবেষণা। ৯/১১ তাদের চরম শিক্ষা দিয়ে গেছে। কিন্তু প্রশ্ন একটাই, Third Face of Moon নামক ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিওতে দেখতে পাওয়া পিরামিড আকৃতির বস্তুটা কী? নাসা সম্প্রতি বলেছে তারা ভিনগ্রহের বাসিন্দাদের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। নাকি ভিনগ্রহের বাসিন্দারাই এসে গেছে পৃথিবীতে! কারণ পৃথিবীর বিখ্যাত হ্যাকার সংস্থা ‘অ্যানোনিমাস’, ২০১৭ সালে একটি ভিডিওতে দাবি করেছিল, ‘নাসা বলছে এলিয়েনরা আসছে!