
শেষ আপডেট: 27 December 2023 15:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো, বীরভূম: বিয়ের সাতদিন পরে বাপেরবাড়ি ফিরে প্রাক্তন প্রেমিকের সঙ্গে পালাতে চেষ্টা করেছিল মেয়ে। বাধা দিলে বাবাকেই গাড়ির চাকায় পিষে দিয়ে পালিয়ে যায় দুজনে। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছিল বোলপুরের যোগ্যনগর গ্রামে। পরিবারের লোকজন খুনের অভিযোগ দায়ের করার তিনদিনের মাথায় অভিযুক্ত প্রেমিক শেখ সফিকুলকে গ্রেফতার করল পুলিশ।
তল্লাশি অভিযান চালানোর পরে নানুরের বাসাপাড়া থেকে সফিকুলকে গ্রেফতার করে বোলপুর থানার পুলিশ। যদিও ওই তরুণী সহ ৫ জনের খোঁজ এখনও পায়নি পুলিশ। সফিকুলকে বোলপুর আদালতে তোলা হয়েছিল। সেখানে বিচারক তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের পুলিশের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
মৃতের পরিবারের দাবি, মেয়ের সঙ্গে সফিকুলের সম্পর্ক মেনে নেননি শেখ কুদ্দুস। তাই তড়িঘড়ি মেয়ের অন্যত্র বিয়ের ব্যবস্থা করেন। মুখ বুজে বাবার সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিলেন ওই তরুণী। বিয়ে হয়ে যায়। সাতদিন পরে শ্বশুরবাড়ি থেকে বাপের বাড়িতে ফেরেন শেখ কুদ্দুসের মেয়ে। বাড়ি ফিরতেই প্রাক্তনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। এই সময়ে তাঁরা দুজনে পালিয়ে যাওয়ার ছক কষে ফেলে। সমস্তটাই প্ল্যান মাফিকই হচ্ছিল। বাড়ির কেউ বুঝতেই পারেননি যে সদ্য বিবাহিত মেয়ে প্রাক্তন প্রেমিকের সঙ্গে পালানোর ছক করছেন। রবিবার প্রেমিকের গাড়িতে উঠে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বাবা কুদ্দুসের সামনে পড়ে যান। বাধা দিতে গেলে মেয়ে ও তাঁর প্রেমিক কুদ্দুসকে গাড়ির চাকায় পিষে দিয়ে পালিয়ে যান।
ঘটনায় সাড়া পড়ে যায় গোটা এলাকায়। নববধূর আত্মীয়রা সফিকুল ও তার সঙ্গী সাথীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করেছেন। তাঁদের দাবি, মেয়েকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। সেখানেই মেয়ের বাবা কুদ্দুস তা দেখে নেওয়ায় বাধা দিলে তাঁকে গাড়ির চাকায় পিষে দেয় সফিকুল ও তার সঙ্গীরা। এরপর মেয়েকে গাড়িতে তুলে চম্পট দেয়।