Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
সরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র

দেশে চিতাবাঘের মৃত্যুহার গত বছরের থেকেও বেশি, উদ্বিগ্ন বন্যপ্রাণ সংগঠনগুলি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বরের মধ্যে মহারাষ্ট্রে মোট ১৭৩ টি চিতা বাঘ মারা গেছে, যা ২০১৯-এর থেকে বেড়েছে ৫৭ শতাংশ। রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৯ সালে সংখ্যাটা ছিল ১১০। সবথেকে বেশি চিতা বাঘ মারা গেছে নাসিকে। ৭০ টিরও বেশি চিতা বা

দেশে চিতাবাঘের মৃত্যুহার গত বছরের থেকেও বেশি, উদ্বিগ্ন বন্যপ্রাণ সংগঠনগুলি

শেষ আপডেট: 14 December 2020 10:09

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বরের মধ্যে মহারাষ্ট্রে মোট ১৭৩ টি চিতা বাঘ মারা গেছে, যা ২০১৯-এর থেকে বেড়েছে ৫৭ শতাংশ। রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৯ সালে সংখ্যাটা ছিল ১১০। সবথেকে বেশি চিতা বাঘ মারা গেছে নাসিকে। ৭০ টিরও বেশি চিতা বাঘ মারা গেছে এখানে। আর পুনে ও কোলাপুরে ২৬টি করে চিতা বাঘ মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ১৭৩টি চিতা বাঘ মারা গেছে, যাদের মধ্যে ৮৫টি চিতা বাঘের মৃত্যু স্বাভাবিক ভাবে হয়েছে। কিন্তু বাকি বাঘেরা মারা গেছে অন্য ভাবে। ৬৪টি চিতা বাঘ মারা গেছে দুর্ঘটনাতে আর বাকি ১৭টা এমন কেস পাওয়া গেছে সেখানে দেখা গেছে ৭টা চিতা বাঘ মারা গেছে শিকারের কারণে। রাস্তা ও ট্রেন দুর্ঘটনার কারণে চিতা বাঘের মৃত্যু গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে এবছরে। ২০১৯ সালে যেখানে ট্রেন ও রাস্তার দুর্ঘটনাতে ১৭টা চিতা বাঘ মারা গিয়েছিল সেখানে এবছর সংখ্যাটা ৩৪-এর ওপরে। আবার এবছর জলে ডুবে মারা গেছে ২৫টি চিতা বাঘ, সেখানে গতবছরে জলে ডুবে মৃ্ত্যের সংখ্যা ছিল ১০। সূত্রের খবর অনুযায়ী, চিতা বাঘের আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছে বহু মানুষ, গত বছরের থেকে যা তিনগুণ বেড়ে গেছে। ২০১৯ সালে মারা গিয়েছিলেন ৮ জন, সেখানে এবছর সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ২৩-এ। এবছর মোট ৩৭টি চিতা বাঘকে উদ্ধার করা হয়েছে। চিতা বাঘের আক্রমণে মানুষের মৃত্যু ও চিতা বাঘেরও মৃত্যুহার বেড়ে যাওয়ার জন্য বন দফতর একটি কমিটি গঠন করার উদ্যোগ নিয়েছে গত মাসে। ক্ষয়ক্ষতি যাতে রোধ করা যায় তাই এই দল গঠন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত বন সংরক্ষণকারী সুনীল লিমায় বলেন যে, "এই বিষয়টিকে সর্বজনীনভাবে সমাধানের জন্য বন সংরক্ষণ দফতরের অধীনে (পিসিসিএফ) একটি দল গঠন করা হবে। পুরো বিষয়টা সেই দলই পর্যবেক্ষণ করবে।" ২০১৬ সালের আদমশুমারি অনুসারে ভারতে মোট চিতা বাঘের সংখ্যা ছিল ১২ হাজার থেকে ১৪ হাজারের মধ্যে। ২০২০ সালে চতুর্থ দফার গণনাতে দেখা গেছে মহারাষ্ট্রে চিতা বাঘের সংখ্যা ৬৬৯। যদিও এই হিসেবটা আদমশুমারির বিচারে করা নয়। রাজ্য বন দফতর যদিও দুবছরের মধ্যে চিতা বাঘের সংখ্যাকে বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। 'ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজার্ভেশন অফ নেচার' চিতা বাঘকে লাল তালিকার অন্তর্ভুক্ত করেছে। বন্যপ্রাণী সুরক্ষা আইন অ্যাক্ট ১৯৭২ অনুযায়ী চিতা বাঘ শিকারকে আইনত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বর্তমানে পুনে, নাসিক, আওরঙ্গাবাদ, ধুলি ও অমরাবতী জেলাতে থাকা বড় বড় জলাধারগুলোর জন্য নেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে করে কোনও চিতা বাঘ পড়ে মারা না যায়। কয়েকটি এলাকাতে খুব দ্রুত দল গঠন করা হবে বলে জানা গেছে, যাঁরা পুরো বিষয়টার ওপরে নজর রাখবেন। রাজ্যের বনবিভাগ অনেকগুলো জনসচেতনামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এছাড়াও ভারতের সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রককে ভারতের বন্যজীবন ইনস্টিটিউড কড়া নির্দেশিকা জারি করে চিঠি লিখেছে যাতে করে রাস্তাঘাটে গাড়ির ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকে, আর দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।

```