গয়েশপুর পঞ্চায়েত এলাকায় হলুদ গেঞ্জি পরা শিশুটিকে রাস্তায় একা একা ঘুরতে দেখে সন্দেহ হয় শান্তিপুর থানার এসআই নন্দদুলাল হাজরার। তিনি এগিয়ে গিয়ে শিশুটির সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। কিন্তু শিশুটি নিজের নাম বললেও ঠিকানা বা পরিবারের বিষয়ে কিছুই বলতে পারেনি।

শেষ আপডেট: 6 February 2026 12:33
কাজল বসাক, নদিয়া: বাড়ি থেকে বেরিয়ে রাস্তায় বিক্ষিপ্তভাবে ঘুরছিল পাঁচ বছরের শিশু। ঘুরতে ঘুরতেই চলে এসেছিল বাড়ি থেকে অনেকটা দূরে। তারপর আর বাড়ি ফেরার পথ খুঁজে পায়নি।
গয়েশপুর পঞ্চায়েত এলাকায় হলুদ গেঞ্জি পরা শিশুটিকে রাস্তায় একা একা ঘুরতে দেখে সন্দেহ হয় শান্তিপুর থানার এসআই নন্দদুলাল হাজরার। তিনি এগিয়ে গিয়ে শিশুটির সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। কিন্তু শিশুটি নিজের নাম বললেও ঠিকানা বা পরিবারের বিষয়ে কিছুই বলতে পারেনি।
বিষয়টির গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গে শিশুটিকে পুলিশের গাড়িতে করে শান্তিপুর থানায় নিয়ে আসেন তিনি। এরপর থানার পক্ষ থেকে শুরু হয় পরিবারের খোঁজ। শান্তিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক কাজল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "আমরা প্রথমে বাচ্চাটিকে থানার কিড-জোনে রাখি। তার খাবারের ব্যবস্থা করি। পুলিশের একজন মহিলা কর্মীকে তাকে দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়। একইসঙ্গে শিশুটির বাড়ি কোথায় সেই খোঁজখবর নেওয়া শুরু করি। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তার বাড়ির হদিশ পাই আমরা।"
শিশুটির বাড়ি শান্তিপুরের বাবলা পঞ্চায়েতের প্রমোদনগরে। এ কথা জানার পরেই বাড়িতে খবর পাঠায় পুলিশ। সেখানে ততক্ষণে হুলস্থুল। জানা যায়, শিশুটির বাবা-মা কেউ বাড়িতে থাকে না। শিশুটি থাকে তার দাদু-দিদার কাছে। খবর পেয়ে থানায় ছুটে আসেন দাদু। সমস্ত প্রমাণ দেখিয়ে শিশুটিকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যান তিনি।
শান্তিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক কাজল বন্দ্যোপাধ্যায় শিশুটির দাদুকে জানান, ভবিষ্যতে শিশুটির যে কোনও প্রয়োজনে পাশে থাকবেন তিনি। নিজের ফোন নম্বরও দিয়ে দেন তিনি।