দ্য ওয়াল ব্যুরো: সরকারি প্রাইমারি স্কুলের পাঁচ ছাত্রীকে লাগাতার যৌন নিগ্রহের অভিযোগ উঠল ওই স্কুলেরই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে! এই মহামারী পরিস্থিতির মধ্যে তেলঙ্গানার ভদ্রারী কোঠাগুদামের এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই শিউরে উঠেছেন সকলে। অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, প্যানডেমিকের কারণে অভিযুক্ত ওই বছর চল্লিশের শিক্ষক এবং অন্য আর এক শিক্ষক এক দিন অন্ত এক দিন করে স্কুলে যেতেন পড়াতে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, ৫০ শতাংশ উপস্থিতি ছিল তাঁদের।
দিন কয়েক আগে দু'টি ছাত্রী হঠাতই অসুস্থ হয়ে পড়ে বলে জানা যায়। তাদেরই একজন মায়ের কাছে জানায়, ওই শিক্ষকের কুকীর্তির কথা। এর পরেই দ্বিতীয় অসুস্থ ছাত্রীটিকেও প্রশ্ন করা হলে, সেও প্রকাশ করে একই কথা। এবং তাদের কথার সূত্র ধরেই সামনে আসে, অন্তত ৫ জন ছাত্রী ওই প্রধান শিক্ষকের লালসার শিকার! প্রত্যেকের বয়স ৭ থেকে ১১-র মধ্যে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাদের মেডিক্যাল পরীক্ষা করতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই বালিকাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের জোর করে পর্নোগ্রাফিক ভিডিও দেখাত অভিযুক্ত শিক্ষক। তার পরে তাদের দিয়ে সেরকমটা করানো হতো। হুমকি দেওয়া হতো, এসব কথা তারা যেন কাউকে না বলে। এসব নিগ্রহের ছবি তোলা হতো কিনা তা এখনও নিশ্চিত নয় পুলিশ।
পকসো ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। জেলা পুলিশের প্রধান সুনীল দত্ত বলেছেন, "আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকার একটি ছোট স্কুলে ঘটেছে এই ঘৃণ্য ঘটনা। মেয়েগুলি খুবই ছোট। আমরা কাউন্সেলিংয়েরও ব্যবস্থা করছি, স্কুলের অন্য সরকারি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছি।"