
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 21 January 2025 17:17
দ্য ওয়াল ব্য়ুরো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ছেলের দেহ বাড়িতে রেখে থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেছিলেন মা। আট বছরের ছেলেকে খুনের অভিযোগে সঙ্গে সঙ্গেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। বারুইপুর মহকুমা আদালত ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে তাঁকে। তারপর থেকে থানায় রয়েছেন তনুজা মণ্ডল নামের ওই মহিলা। পুলিশকর্মীরা জানান, থানা লকআপে ছেলের জন্য কান্নাকাটি করছেন। ছেলেকে খুন করে দগ্ধ হচ্ছেন অনুতাপে।
রবিবার সোনারপুর গ্রামীণ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে আসা হয়েছিল তনুজাকে। সেই সময় সংবাদমাধ্যমের সামনেও খুনের কথা স্বীকার করে নেন তিনি।
পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওই মহিলা জানান, শনিবার বারণ করা সত্ত্বেও তাঁর কথা না শুনে খেলতে চলে গিয়েছিল ছেলে। কিছুক্ষণ পরেই অবশ্য ফিরে এসে মাকে আদর করে। ছেলের আবদারে বিকেলে চাউমিন করে ছেলেকে খেতেও দেন। তারপরেই বিছানায় বসে টিভি দেখার সময় ক্লাস থ্রির ওই পড়ুয়াকে পিছন থেকে গলায় ওড়নার ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করেন। এরপর ছেলের দেহ ঘরে রেখে সোজা থানায় চলে যান।
তনুজার স্বামী প্রসেনজিৎ মণ্ডল মাছ ব্যবসায়ী। তাঁদের দুই পুত্রসন্তান ছিল। বছর দুয়েক আগে ওই দম্পতির ছোট ছেলের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। স্থানীয়দের দাবি, তনুজাই খুন করেছিল তার ছোট ছেলেকে। আত্মসমর্পণের পরে তনুজাকে নিয়ে তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন পুলিশকর্মীরা। তখন পুলিশের সামনেই তনুজাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান এলাকার বাসিন্দারা। পুলিশের হাত থেকে তাঁকে ছিনিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা হয়। লাঠি চালিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয় পুলিশ।