
শেষ আপডেট: 22 December 2024 14:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ক্যানিং থেকে জঙ্গি সন্দেহ গ্রেফতার এক। ধৃতের নাম জাভেদ মুন্সি। বেঙ্গল এসটিএফ ও কাশ্মীরি পুলিশের অভিযানে এই যুবককে গ্রেফতার করা হয় ক্যানিং থেকে। সে কাশ্মীরি জঙ্গি সংগঠন তেহেরিক-ই-মুজাহিদিন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। কয়েকদিন ধরে ক্যানিংয়ে আত্মীয়র বাড়িতে থাকছিল জাভেদ। সে শ্রীনগরের বাসিন্দা। কাশ্মীরি পুলিশ তাকে বহুদিন ধরে খুঁজছিল। পরে পুলিশ জানতে পারে সে বাংলায় এসে আশ্রয় নিয়েছে। ধৃতকে রবিবার আলিপুর আদালতে তোলা হয়।
এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতীম সরকার জানিয়েছে, সংগঠনের জন্য অস্ত্র জোগাড় করা, স্থানীয় যুবকদের নিজেদের সংগঠনে যোগ দেওয়া উদ্দেশেই মিনারুল ও আব্বাস বাংলায় ঘাঁটি গেড়েছিল। চিকেনস নেকে নাশকতামূল কার্যকলাপ চালানোও এদের উদ্দেশ্য।
এদিকে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থেকে বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লা বাংলার দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের নাম মিনারুল শেখ ও মহম্মদ আব্বাস আলি। একই সঙ্গে অসম থেকে আরও ৫ জন ও কেরল থেকে আরও ১ জনকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ফালাকাটায় এই নিয়ে নাকি একাধিক বৈঠকও করেছে তারা।
অসম পুলিশের এসটিএফের থেকে ইনপুট পেয়ে বুধবার, মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় হানা দিয়েছিল পুলিশ। তাদের সঙ্গে অসম পুলিশের এসটিএফও ছিল। ওই অভিযানেই মিনারুল ও মহম্মদ আব্বাস আলিকে গ্রেফতার করা হয়। জানা গিয়েছে ধৃত মিনারুল শেখ কিছুদিন আগেই একটি মাদ্রাসা খুলেছিল। সেখানে বেশ কয়েকজন পড়তে আসত। আর মহম্মদ আব্বাস আলি পকসো মামলায় অভিযুক্ত ছিল। সে ওই মামলায় জেলও খেটেছে।