
বনগাঁয় ট্যাঙ্কের ঢাকনা ভেঙে নীচে পড়ায় কিশোরের মৃত্যু
শেষ আপডেট: 30 September 2024 18:54
দ্য় ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: সরকারি প্রকল্পের টাকায় তৈরি হয়েছিল শৌচলায়ের ট্যাঙ্কে। সেই ট্যাঙ্কের ঢাকনা ভেঙে ভিতরে পড়ে গেল ১৩ বছরের ছেলে। দমবন্ধ হয়ে মারা গেল সে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় বনগাঁর সুন্দরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পিপলি পাড়া এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে শৌচালয়ের ট্যাঙ্ক তৈরি হয়েছিল। তাই ওই কিশোরের এমন মর্মান্তিক পরিণতি হল। এই ঘটনা ইতিমধ্যে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। তৃণমূল পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে কাটমানি খাওয়ার অভিযোগ এনেছে বিজেপি। যদিও বিডিও অফিসের উপর দায় চাপিয়েছে তৃণমূল পঞ্চায়েত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ওই কিশোরের নাম সন্দীপ মজুমদার। তার বাড়ি পিপলি পাড়ায়। রবিবার সন্ধে থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। রাতে পরিবারের লোকজন খোঁজখুঁজি করতে গিয়ে দেখেন, শৌচালয়ের ট্যাঙ্কের উপর ঢাকনাটি ভাঙা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এতে সন্দেহ দানা বাঁধে আত্মীয়দের মনে। তাঁরা স্থানীয়দের বিষয়টি জানান। চর্ট জ্বেলে ট্যাঙ্কের ভিতরে দেখতেই আঁতকে ওঠেন আত্মীয়রা। দেখেন, ওই ট্যাঙ্কের ভিতরেই পড়ে রয়েছে সন্দীপ। কোনওরকমে স্থানীয়রা সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে বনগ্রাম মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা ওই কিশোরকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে পঞ্চায়েতের প্রতিনিধিরা সোমবার সকালে মৃত কিশোরের বাড়িতে যান। তাঁদের বিক্ষোভে মুখে পড়তে হয়। যদিও তাঁরা পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। পঞ্চায়েতের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, দু-তিন বছর আগে সরকারি প্রকল্পের টাকায় এই শৌচালয় গড়ে তোলা হয়েছিল। ব্লক অফিসের মাধ্যমে কাজ হয়েছে। যদিও এই কথা মানতে নারাজ বিজেপি। তাঁদের অভিযোগ, কাটমানি নিয়ে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে এই শৌচালয়ের ট্যাঙ্ক ও ঢাকনা তৈরি হয়েছে।