
আদালতের পথে ধৃতরা। নিজস্ব চিত্র
শেষ আপডেট: 1 August 2024 16:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: নাকা তল্লাশির সময় আক্রান্ত হলেন নোয়াপাড়া থানার পুলিশকর্মীরা। এই ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে তোলা হয়।
অপরাধ দমনে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় বিভিন্ন থানার পক্ষ থেকে লাগাতার নাকা চেকিং চলছে। বুধবার রাতে শ্যামনগর পিনকল মোড়ে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার একটি বাইক আটকান। অভিযোগ, কর্তব্যরত এএসআই বিশ্বনাথ সর্দার দুই বাইক আরোহীকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই আচমকা হামলা চালায় ওই দুই যুবক।
ওই এএসআই-সহ আরও দুই পুলিশ কর্মী ও পুলিশের গাড়ি চালককে বেপরোয়া মারধর করে তারা। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নোয়াপাড়া থানার গুন্ডা দমন শাখা। ঘটনাস্থল থেকে দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের নাম আরমান শেখ ও অঙ্কিত শর্মা। বৃহস্পতিবার দুপুরে ধৃতদের ব্যারাকপুর আদালতে পাঠায় নোয়াপাড়া থানার পুলিশ।
এক সপ্তাহ আগেই একই রাতে উত্তরবঙ্গের দুই জেলায় আক্রান্ত হয় পুলিশ। গত বুধবার রাতে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় অভিযান চালাতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হামলার মুখে পড়েন পুলিশ কর্মীরা। ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয় চার পুলিশকর্মীকে। ওই রাতেই জলপাইগুড়িতে নাকা চেকিংয়ের সময় পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য় করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। একটি সন্দেহজনক গাড়িকে আটক করতে গিয়ে জলপাইগুড়িতে বিপদের মুখে পড়েন জেলা পুলিশের কর্মীরা। কোনও রকমে প্রাণে বাঁচেন তাঁরা। জলপাইগুড়ির দিন বাজার এলাকায় নাকা চেকিং চলার সময় একটি গাড়িকে দেখে সন্দেহ হয় পুলিশ কর্মীদের। গাড়ির আরোহীদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে যেতেই পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তারা। পুলিশ গাড়িটিকে ধাওয়া করতেই পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা গুলি চালায় বলে অভিযোগ। অন্তত তিন রাউন্ড গুলি চলে বলে পুলিশের দাবি।
মঙ্গলবারই পুলিশের উপর হামলার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি দ্য ওয়াল। গত ৩০ এপ্রিল রাতে ব্যারাকপুর কমিশনারেটের ট্রাফিক ডিপার্টমেন্টের সাব ইন্সপেক্টর ওঙ্কার বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাস্তায় ফেলে মারধরের অভিযোগ ওঠে ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রমেশ সাউ এবং তাঁর ছেলে বিমল সাউয়ের বিরুদ্ধে। তিন মাস বাদে সেই ভিডিওটি ভাইরাল হতেই নতুন করে ব্যারাকপুরে উত্তেজনা ছড়ায়। বুধবার রাতে ফের পুলিশ আক্রান্ত হওয়ার খবর নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি হল ব্যারাকপুরে।