দ্য ওয়াল ব্যুরো : স্বাধীনতা দিবসের আগে দিল্লি শ্রীনগরে জঙ্গি হামলা চালানোর জন্য নিজের দাদার ছেলে মহম্মদ ওমরকে ভারতে পাঠিয়েছেন জয়েশ ই মহম্মদের শীর্ষ নেতা মৌলানা মাসুদ আজহার। মে মাসের শেষ সপ্তাহে ওমর ঢুকেছে ভারতে। তার কাজ হল বেছে বেছে কয়েকজন জঙ্গিকে দিয়ে একটি ছোট্ট গোষ্ঠী বানানো। সেই গোষ্ঠীকে দিয়ে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের সময় নাশকতা চালানোর চেষ্টা হবে।
একই উদ্দেশ্য নিয়ে ভারতে ঢুকেছে মাসুদের আর এক ঘনিষ্ঠ। তার নাম মহম্মদ ইসমাইল। সে আজহারের ভাই আবদুর রউফের প্রাক্তন দেহরক্ষী। আই সি ৮১৪ বিমান চিন্তায় করে মাসুদ আজহারকে জেল থেকে ছাড়ানোর চক্রান্তে জড়িত ছিল রউফ।
গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, ইসমাইল কাশ্মীর সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে। তারপর দিল্লিতে আসে। এখন সে শ্রীনগরে ফিরে গিয়েছে। সম্ভবত দিল্লিতে বড় ধরনের হামলা চালানোর জন্য কয়েকজন জঙ্গিকে সে দায়িত্ব দিয়ে গিয়েছে।
অন্যদিকে মহম্মদ ওমর রয়েছে জম্মু-কাশ্মীরেই। সে স্থানীয় যুবকদের অস্ত্র ও বিস্ফোরক ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। ছমাস ধরে সে প্রশিক্ষণ দেবে। গত মাসে ওমরের সঙ্গীরা পুলিশের থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়। কিছুদিন আগে নিরাপত্তারক্ষীরা প্রায় তার নাগাল পেয়ে গিয়েছিল। অল্পের জন্য সে পালিয়ে যায়। তার পরে আশ্রয় নেয় শ্রীনগরের পান্থ চৌক অঞ্চলে। ইসমাইলও তার সঙ্গে আছে।
স্বাধীনতা দিবসের আগে জয়েশ ই মহম্মদের দুই প্রথম সারির নেতা কাশ্মীরে থাকায় সরকার উদ্বিগ্ন। তার ওপর এখন অমরনাথ যাত্রা চলছে। সম্ভাব্য জঙ্গি হানা ঠেকাতে নিরাপত্তারক্ষীদের আরও বেশি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।