দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশে দৈনিক বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণেই আছে। নতুন সংক্রমণ কুড়ি হাজারের ওপরে ওঠেনি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন সংক্রমণ ধরা পড়েছে ১৮ হাজারের কাছাকাছি। দুদিন আগে দৈনিক সংক্রমণ ১৬ হাজারে নেমে গিয়েছিল। দিল্লিতে করোনার তৃতীয় ঢেউ ধাক্কা দেওয়ার পর থেকে দৈনিক বৃদ্ধি ৯০ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। এখন সেখানে কুড়ি হাজারের নীচে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণের হার ক্রমশই কমছে।
করোনা অ্যাকটিভ রোগী আড়াই লাখের নীচে নেমে গিয়েছে। অ্যাকটিভ কেসের হার ২.১৬ শতাংশ। করোনায় মৃত্যুহারও কমেছে দেশে। সংক্রমণে দৈনিক মৃত্যু আড়াইশোর নীচে নেমে গেছে। একসময় পাঁচশো ছাড়িয়ে গিয়েছিল।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে এফেকটিভ রিপ্রোডাকশন নম্বর তথা আর নম্বর ০.৯০ পয়েন্টেই স্থিতিশীল আছে। কিছুদিন আগেই আর-নম্বর কমে ০.৮৬ পয়েন্টে পৌঁছেছিল। এখন সেটাই কিছুটা বেড়ে ০.৯০ পয়েন্ট হয়েছে। আর-নম্বর কমে যাওয়া মানে সংক্রমণের হার কমে যাওয়া। তাই আশায় বুক বেঁধেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। আর-নম্বর একের নিচে থাকায় সংক্রমণের হার বিশেষ বাড়ার সম্ভাবনা নেই বলেই আশা করা হচ্ছে।
সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড ও ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন টিকায় ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্রীয় ড্রাগ নিয়ামক সংস্থা। মনে করা হচ্ছে টিকাকরণ শুরু হওয়ার পরে করোনার নতুন স্ট্রেনের আতঙ্কও কমবে। গত ২ জানুয়ারি দেশজুড়ে করোনা টিকার মহড়া তথা ড্রাই-রান হয়েছিল। আজ, শুক্রবার থেকে দেশের ৭৩৬টি জেলায় দ্বিতীয় পর্বের ড্রাই রান শুরু হচ্ছে। বাংলার ৬৯টি এলাকাকে চিহ্নিত করে সেখানে টিকার মহড়া হবে। পাশাপাশি, আজ কোভিড ভ্যাকসিনও চলে আসতে পারে পশ্চিমবঙ্গে। ৬ লাখ টিকার ডোজ কেন্দ্রের কাছে চেয়ে পাঠানো হয়েছে।