দ্য ওয়াল ব্যুরো: হলিউডি ছবির অভিনেত্রী নাতাশা ব্ল্যাসিক বলেছিলেন, তিনি ভূতের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছেন! আমেরিকার একটি পত্রিকাকে দেওয়াকে সাক্ষাৎকারে এমন দাবি করেছিলেন মডেল অ্যানা নিকোল স্মিথও। ভূতেরা সত্যিই মানুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে আগ্রহী কিনা সেটা জানা না গেলেও, ঘরের ভিতরে-বাইরে, আশপাশে তারা যে দিব্যি ঘুরঘুর করতে ভালোবাসে সেটা বেশ টের পেয়েছেন অভিনেত্রী জেনিফার অ্যানিস্টন। ভূতের সঙ্গে নাকি রুম শেয়ারও করেছেন তিনি।
"ডিশ ওয়াশার আপনা আপনি চলতে শুরু করে। কফি মেকার অন হয়ে যায় নিজে থেকেই। তারস্বরে মিউজিক বাজতে শুরু করে স্টিরিও স্পিকারে, কতটা ভয় লাগে ভাবো!" মা্কিন টক শো 'দ্য লেট শো উইথ জেমস কোর্ডেন' -এ এসে এমনই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছিলেন জেনিফার। নেটফ্লিক্সে তাঁর ছবি 'ডাম্পলিন'-এর প্রোমোর জন্য এই টক শোয়ে এসেছিলেন জেনিফার। সেখানেই এমন ভৌতিক অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন তিনি। নায়িকার কথায়, লস অ্যাঞ্জেলসের সেন্ট্রাল পার্কের একটি অ্যাপার্টমেন্টে যখন এক বান্ধবীর সঙ্গে রুম শেয়ার করতেন তিনি তখনই এমন নানা বিদঘুটে ঘটনা ঘটত তাঁর সঙ্গে। নিত্যদিন ওই অ্যাপার্টমেন্টে হানা দিত একটা ভূত। তবে একাধিকও হতে পারে, সেটা নায়িকা ঠিক ঠাওর করতে পারেননি।
সঞ্চালক জেমস কোর্ডেনের কৌতুহলী প্রশ্নের উত্তরে জেনিফারের দাবি, কানে কানে ফিসফিস করে কথা বলতে ভালোবাসত সেই ভূত। যদিও সবই অস্পষ্ট কথা। চারপাশে ঘুরঘুর করত। রান্নাঘরের থালাবাটি নাড়াচাড়া করে জানান দিত সে এসেছে। তবে আর বিশেষ কোনও উৎপাত করতো না। একদিকে জেনিফারের সঙ্গে বেশ মানিয়ে গুছিয়েই নিয়েছিল।
"লস অ্যাঞ্জেলসে যখন প্রথম আসি তার পর থেকেই ভূতের আনাগোনা শুরু হয়। একদিন দেখি ডিশ ওয়াশারে আওয়াজ হচ্ছে, অথচ কেউ কোথাও নেই। আমি কাছে যেতেই কর্নারের তাক থেকে একটা ডিশ পড়ে চুরমার হয়ে গেল। তখনই বুঝলাম অশরীরী কিছু ঘটছে চারপাশে," বিস্ফারিত চোখে একটানা সঞ্চালককে কথাগুলো বলে গেলেন নায়িকা। জেনিফারকে পছন্দ করলেও ভূত নাকি তাঁর রুমমেটকে বিশেষ পছন্দ করতো না। সে কথা মুখে বলতে না পারলেও, আকারে ইঙ্গিতে নাকি বেশ বুঝিয়ে দিয়েছিল সেই অশরীরী।
ভূত এখনও জেনিফারের পিছু ধাওয়া করে কিনা সেটা অবশ্য জানা যায়নি। তবে সেই ভূত যে বন্ধুত্ব পাতাতেই এসেছিল সেটা বুঝে গিয়েছেন নায়িকা।