Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

বাঁদরের ১ কোটি বছরের পুরনো দাঁত পাওয়া গেল উত্তরাখণ্ডে, নতুন প্রজাতির সন্ধানে বিজ্ঞানীরা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বর্তমানে গিবন প্রজাতির বাঁদরদের পূর্বপুরুষ। লম্বা হাত-পা। প্রায় মানুষের মতো। একসময় নরবানর বলে যাদের নিয়ে হইচই হত, সেই প্রজাতিরই প্রাচীন এক সদস্যের দাঁত উদ্ধার হল উত্তরাখণ্ডের রামনগরে। প্রাণীবিদরা বলছেন, এই দাঁতের বয়স কম করে

বাঁদরের ১ কোটি বছরের পুরনো দাঁত পাওয়া গেল উত্তরাখণ্ডে, নতুন প্রজাতির সন্ধানে বিজ্ঞানীরা

শেষ আপডেট: 10 September 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বর্তমানে গিবন প্রজাতির বাঁদরদের পূর্বপুরুষ। লম্বা হাত-পা। প্রায় মানুষের মতো। একসময় নরবানর বলে যাদের নিয়ে হইচই হত, সেই প্রজাতিরই প্রাচীন এক সদস্যের দাঁত উদ্ধার হল উত্তরাখণ্ডের রামনগরে। প্রাণীবিদরা বলছেন, এই দাঁতের বয়স কম করেও ১ কোটি ৩০ লক্ষ বছর। তাই মনে করা হচ্ছে, চেনাশোনা বঁদর প্রজাতির থেকে এরা কিছুটা আলাদা। নতুন কোনও প্রজাতি হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বাঁদরদের পূর্বপুরুষের দাঁতের জীবাশ্ম আবিষ্কার করেছেন হান্টার কলেজের প্রাণীবিদ ক্রিস্টোফার সি গিলবার্ট। গবেষক বলছেন, কষ দাঁত যাকে বলে Molar Tooth সেটি পাওয়া গেছে রামনগরে। দাঁতের জীবাশ্ম বিশ্লেষণ করে বোঝা গেছে আজ থেকে প্রায় ১ কোটি ২৫ লক্ষ বছর থেকে ১ কোটি ৩০ লক্ষ বছর আগে এই প্রজাতি পৃথিবীতে বাস করত। এর নাম দেওয়া হয়েছে কপি রামনগরেনসিস (Kapi ramnagarensis) । ‘প্রসিডিংস অব দ্য রয়্যাল সোসাইটি বি’ জার্নালে   ‘নিউ মিডল মায়ওসিন এপ ফ্রম রামনগর’ নামে এই খবর ছাপা হয়েছে। প্রাণীবিদ ক্রিস্টোফার গিলবার্ট বলছেন, শিবালিক পাহাড়ের পাদদেশে এই দাঁতের ফসিলের খোঁজ মিলেছে। এর বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ করেই বোঝা গেছে যে এটি নতুন প্রজাতির। এই গবেষণায় গিলবার্টের টিমে রয়েছেন, ক্রিস ক্যাম্পিসানো, বিরেন পটেল, রাজীব পট্টনায়ক ও প্রেমজিৎ সিং। গিলবার্ট বলছেন, পাহাড়ি ঢালের নীচে চকচকে একটি জিনিসে তাঁর চোখ আটকে যায়। সেখানকার মাটি খুঁড়ে এই জীবাশ্ম উদ্ধার করেন তিনি। এমন ধরনের কষ দাঁত বাঁদর বা এই জাতীয় প্রাণীদেরই থাকে। আর জীবাশ্ম হয়ে যাওয়া দাঁত যে বহু যুগ আগের সেটা তাঁর বুঝতে অসুবিধা হয়নি। গবেষকরা বলছেন, সেই মায়োসিন যুগে লম্বা হাত-পায়ের এমন বাঁদররা পৃথিবীতে রাজত্ব করত। সিনোজোয়িক বা ভূতাত্ত্বিক মহাযুগে অনেক নতুন প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর জন্ম হয়েছিল পৃথিবীতে। সিনোজোয়িকের অর্থ হল ‘নতুন জীবন’ । এই সিনোজোয়িক মহাযুগ আবার প্যালিওজিন, নিওজিন ও কোয়াটার্নারি যুগে বিভক্ত। এদেরও অনেক উপযুগ আছে যেমন প্যালিওসিন, ইওসিন, অলিগোসিন, মায়োসিন, প্লাইওসিন, প্লেইস্টোসিন ও হলোসিন। গিলবার্ট বলছেন, মায়োসিন যুগে বাঁদর বা এপদের প্রায় ৩০ রকম প্রজাতির জন্ম হয়েছিল। মনে করা হচ্ছে, এই দাঁতটিও তেমনই কোনও এক হারিয়ে যাওয়া প্রজাতির। Fossilised APE tooth unearthed in India belongs to the gibbon ancestor – New York Time Post ৫০ লক্ষ বছর আগের গিবন প্রজাতির বাঁদের জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছিল, বলেছেন এই রিসার্চ টিমের সদস্য আলেজান্দ্রা ওরটিজ। তিনি বলেছেন, সেই গিবনের যা বৈশিষ্ট্য ছিল তার সঙ্গে এই জীবাশ্বের কিছুটা হলেও মিল আছে। দাঁতের সিটি স্ক্যান করেও দেখা গেছে গিবনদের সঙ্গে এদের অনেক মিল। তাই মনে করা হচ্ছে গিবনদের পূর্বপুরুষ ছিল এই প্রজাতি। গিবন হল হাইলোব্যাটিডি (Hylobatidae) পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। এদের ১৮ রকম প্রজাতি আছে। ক্রান্তীয় বৃষ্টিঅরণ্যে এদের বেশি দেখা মেলে। উত্তরপূর্ব ভারত, দক্ষিণপূর্ব চিন, ইন্দোনেশিয়ায় গিবনদের দেখা পাওয়া যায়। শিম্পাঞ্জি, গোরিলা বা ওরাংওটাংয়ের থেকে এরা কিছুটা ছোট। মাথায় উজ্জ্বল সোনালি-খয়েরি রঙা লোম আছে। তবে গায়ের রঙ কালোও হয়। হাত-পা একটু বেশি লম্বা। র দক্ষিণ ভারতের নীলগিরি পার্বত্য এলাকার জঙ্গলের এরা ‘লাঙ্গুর’ (হনুমান) প্রজাতির। এদের নাম ‘নীলগিরি ব্ল্যাক লাঙ্গুর’ বা সংক্ষেপে ‘নীলগিরি লাঙ্গুর’। স্বভাবে লাজুক, খুব সকাল বা পড়ন্ত বিকেল ছাড়া ওদের দেখা মেলা ভার। গিলবার্ট বলছেন, যে প্রজাতির দাঁত উদ্ধার হয়েছে তারা সম্ভবত আফ্রিকার বাসিন্দা ছিল। পরে এই প্রজাতি এশিয়ার দিকে চলে আসে। প্রাচীন গিবনদের অনেক জীবাশ্মই এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে উদ্ধার হয়েছে।

```