‘বিজেপিকে ঠেকাতে কংগ্রেসের পাশে আছি’, বলেছেন মায়াবতী
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থান, দু’রাজ্যেই কংগ্রেসের হাত ধরার কথা ঘোষণা করে দিলেন দলিতদের ‘বহেনজি।’ বহুজন সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো মায়াবতী ঘোষণা করেছেন, বিজেপিকে সমূলে উৎখাত করতে মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসকেই সমর্থন করবেন তিনি। রাজস্থানেও
শেষ আপডেট: 11 December 2018 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থান, দু’রাজ্যেই কংগ্রেসের হাত ধরার কথা ঘোষণা করে দিলেন দলিতদের ‘বহেনজি।’ বহুজন সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো মায়াবতী ঘোষণা করেছেন, বিজেপিকে সমূলে উৎখাত করতে মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসকেই সমর্থন করবেন তিনি। রাজস্থানেও সরকার গড়তেও থাকবেন কংগ্রেসের পাশে।
ছত্তীসগড়ে ধুমধাম করে জোট গড়েছিলেন কংগ্রেস-ছুট অজিত যোগীর সঙ্গে। মধ্যপ্রদেশে ‘একলা চলো’ নীতি নিয়েই ব্যাটিং করছিলেন দাপটে। স্পষ্টই করে দিয়েছিলেন, কোনও মতেই কংগ্রেসের সঙ্গে উত্তরপ্রদেশে জোট গড়বেন না। তবে দিনের শেষে রাজনৈতিক লাভ-ক্ষতির অঙ্ক মেলাতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, মায়াবতীর লাভের ঘর শূন্যই। তাই শেষ পর্যন্ত বিজেপি সরকারের চাপে থাকা বিএসপি সুপ্রিমো রাহুলের কংগ্রেসের মহাজোটে সামিল হওয়ার কথাই ঘোষণা করে দিয়েছেন।
বুধবার দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলন করে মায়াবতী বলেন, ‘‘আমাদের একমাত্র লক্ষ্য বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করা। তিন রাজ্যে ফলই বলে দিচ্ছে মানুষ সম্পূর্ণ রূপে বিজেপির অগণতান্ত্রিক নীতির বিরুদ্ধে চলে গেছে। অন্য কোনও বিকল্প বড় দল না থাকায় কংগ্রেসকেই সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মধ্যপ্রদেশে তো বটেই, প্রয়োজনে রাজস্থানেও আমরা কংগ্রেসকেই সমর্থন করতে পারি।’’
https://twitter.com/ANI/status/1072719302841774081
মধ্যপ্রদেশে মোট আসন সংখ্যা ২৩০। মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার চূড়ান্ত ফলাফলে কংগ্রেসের ঝুলিতে রয়েছে ১১৪টি আসন। মায়াবতীর দল পেয়েছে দু’টি। ১০৯টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বিজেপি। ম্যাজিক ফিগার ১১৬ থেকে দু’টি আসনেই পিছিয়ে রয়েছে কংগ্রেস। মায়াবতীর সমর্থন পেলে কংগ্রেসের আসন সংখ্যা হবে ১১৬। পাশাপাশি, চার নির্দল বিধায়কের সঙ্গেও কথাবার্তা চালাচ্ছে কংগ্রেস।
আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের লাইভ রেজাল্ট
গত বারের মতো মধ্যপ্রদেশে ভোট শতাংশ ধরে রাখতে পারেননি মায়াবতী। বিন্ধ্যাচলের দলিত এলাকায় মায়াবতীর ফল আগের চেয়ে খারাপ। গণনায় দেখা গেছে, ভোট শতাংশ ৬ শতাংশ থেকে কমে ৪.৯ শতাংশে এসেছে দলিত নেত্রীর।
আরও পড়ুন: উনিশের আগে মোদী ঝড়ের গতি নিশ্চয়ই কমলো, কিন্তু ভরাডুবি কি বলা যায়?
চূড়ান্ত ফলপ্রকাশের আগে মঙ্গলবারই সরকার গঠনের আর্জি জানিয়ে রাজ্যপালকে চিঠি দেয় কংগ্রেস। বুধবার সকাল আটটার পর ফের রাজ্যপালের কাছে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন দলের নেতারা। মায়াবতীর সমর্থন পেয়ে যাওয়ায় কংগ্রেসের পক্ষে সরকার গঠনে আর কোনও অসুবিধাই রইল না বলে মনে করছে রাজনৈতিক শিবির।