Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

বিশ্বের অর্ধেক সম্পদের মালিক এক শতাংশ মানুষ, অর্ধেক মানুষ মালিক এক শতাংশ সম্পদের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এক শতাংশ ধনীর হাতে রয়েছে বিশ্বের ৫০ শতাংশ সম্পদ, উল্টোদিকে বিশ্বের ৫০ শতাংশ গরিবের হাতে রয়েছে মোট সম্পদের মাত্র এক শতাংশ।  সম্প্রতি প্রকাশিত ‘ক্রেডিট সুইস রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের গ্লোবাল ওয়েলথ রিপোর্ট ২০১

বিশ্বের অর্ধেক সম্পদের মালিক এক শতাংশ মানুষ, অর্ধেক মানুষ মালিক এক শতাংশ সম্পদের

শেষ আপডেট: 18 November 2019 10:14

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এক শতাংশ ধনীর হাতে রয়েছে বিশ্বের ৫০ শতাংশ সম্পদ, উল্টোদিকে বিশ্বের ৫০ শতাংশ গরিবের হাতে রয়েছে মোট সম্পদের মাত্র এক শতাংশ।  সম্প্রতি প্রকাশিত ‘ক্রেডিট সুইস রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের গ্লোবাল ওয়েলথ রিপোর্ট ২০১৯-এ এই দাবি করা হয়েছে।  এটি তাদের দশম বার্ষিক রিপোর্ট।  এই রিপোর্টে দেখানো হয়েছে কী ভাবে ধনীরা ক্রমেই আরও ধনী হয়ে উঠছেন। ২০০৮ সালে বিশ্বের ধনীতম এক শতাংশ মানুষের হাতে ছিল ৪২.৫ শতাংশ সম্পদ।  ২০১৭ সালে তা বেড়ে হয় ৫০.১ শতাংশ।  এখন তা মোটের উপরে একই রয়েছে বলা যায়। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০০ সাল থেকে এই এক শতাংশ ধনীর আয় ক্রমেই বেড়ে চলেছে, শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক মন্দার সময়টুকু ছাড়া।  তবে আন্তর্জাতিক মন্দার কাটার পর থেকে তাঁদের সম্পদের পরিমাণ ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী।\

দেখুন কী ভাবে বেড়েছে ১০ লক্ষ ডলারের মালিকদের সংখ্যা (হিসাব ১০ লক্ষে)

ক্রেডিট সুইসের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০০৮ সালে একবারই মিলিয়নেয়ারের (অর্থাৎ ন্যূনতম ১০ লক্ষ মার্কিন ডলার সম্পত্তির মালিক) সংখ্যা কমেছিল, তার পর থেকে এই সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে।  বিলিয়নেয়ারের তালিকায় নতুন করে যোগ হয়েছে ২৩ লক্ষ নাম, যার ফলে এই সংখ্যা এখন হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লক্ষ।  বিশ্বের প্রাপ্তবয়স্কদের ০.৭ শতাংশ এই শ্রেণিতে পড়েন, তাঁদের হাতে এখন মোট সম্পদ বা  ২৮০ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলার অঙ্কের সম্পত্তির ৪৬ শতাংশ রয়েছে। এর ঠিক উল্টো দিকের কথাটা এবার ভাবুন।  বিশ্বের ৩৫০ কোটি অতি দরিদ্র প্রাপ্তবয়স্কের হাতে মিলিত ভাবে এখন ১০ হাজার মার্কিন ডলার পরিমাণ সম্পদ রয়েছে।  এঁরা মোটামুটি ভাবে শ্রমিক শ্রেণির, বিশ্বের মোট সম্পদের ২.৭ শতাংশ সম্পদের অধিকারী তাঁরা। ইউরোপের ৭৯ লক্ষ প্রাপ্তবয়স্ককে ধরে ২০০০ সাল থেকে বিশ্বে মিলিয়নেয়ারের তালিকায় নতুন করে ২ কোটি ৩৯ লক্ষ নাম যোগ হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে অতিদরিদ্রদের ৯০ শতাংশই বসবাস করেন ভারত ও আফ্রিকায়।  এই শ্রেণির হাতে মিলিত ভাবে ১০ হাজার মার্কিন ডলারেরও কম অর্থ রয়েছে।  গ্লোবাল ওয়েলথ পিরামিড অনুযায়ী, অন্তত ১০ লক্ষ মার্কিন ডলার সম্পদ রয়েছে এমন ৩ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের হাতে মিলিত ভাবে রয়েছে ১২৮.৭ কোটি মার্কিন ডলার। বিশ্বের মিলিয়নেয়ারদের দুই-তৃতীয়াংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা।  জাপানে থাকেন অতিধনীদের ৭ শতাংশ এবং যুক্তরাজ্যে থাকেন এঁদের ৬ শতাংশ।  ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়া বা ব্রেক্সিট পর্বের জন্য ব্রিটিশ পাউন্ডের দাম পড়ে গেছে, তাই মিলিয়নেয়ারের সংখ্যা ৩৪ হাজার কমে এখন ২১.৯ লক্ষে দাঁড়িয়েছে।  যুক্তরাজ্যের ৫ কোটি ১০ লক্ষ প্রাপ্ত বয়স্কের অর্ধেকেরই সম্পদের পরিমাণ ১০ লক্ষ মার্কিন ডলার বা তার বেশি।

```