
শেষ আপডেট: 18 November 2019 10:14
ক্রেডিট সুইসের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০০৮ সালে একবারই মিলিয়নেয়ারের (অর্থাৎ ন্যূনতম ১০ লক্ষ মার্কিন ডলার সম্পত্তির মালিক) সংখ্যা কমেছিল, তার পর থেকে এই সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। বিলিয়নেয়ারের তালিকায় নতুন করে যোগ হয়েছে ২৩ লক্ষ নাম, যার ফলে এই সংখ্যা এখন হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লক্ষ। বিশ্বের প্রাপ্তবয়স্কদের ০.৭ শতাংশ এই শ্রেণিতে পড়েন, তাঁদের হাতে এখন মোট সম্পদ বা ২৮০ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলার অঙ্কের সম্পত্তির ৪৬ শতাংশ রয়েছে।
এর ঠিক উল্টো দিকের কথাটা এবার ভাবুন। বিশ্বের ৩৫০ কোটি অতি দরিদ্র প্রাপ্তবয়স্কের হাতে মিলিত ভাবে এখন ১০ হাজার মার্কিন ডলার পরিমাণ সম্পদ রয়েছে। এঁরা মোটামুটি ভাবে শ্রমিক শ্রেণির, বিশ্বের মোট সম্পদের ২.৭ শতাংশ সম্পদের অধিকারী তাঁরা।
ইউরোপের ৭৯ লক্ষ প্রাপ্তবয়স্ককে ধরে ২০০০ সাল থেকে বিশ্বে মিলিয়নেয়ারের তালিকায় নতুন করে ২ কোটি ৩৯ লক্ষ নাম যোগ হয়েছে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে অতিদরিদ্রদের ৯০ শতাংশই বসবাস করেন ভারত ও আফ্রিকায়। এই শ্রেণির হাতে মিলিত ভাবে ১০ হাজার মার্কিন ডলারেরও কম অর্থ রয়েছে। গ্লোবাল ওয়েলথ পিরামিড অনুযায়ী, অন্তত ১০ লক্ষ মার্কিন ডলার সম্পদ রয়েছে এমন ৩ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের হাতে মিলিত ভাবে রয়েছে ১২৮.৭ কোটি মার্কিন ডলার।
বিশ্বের মিলিয়নেয়ারদের দুই-তৃতীয়াংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা। জাপানে থাকেন অতিধনীদের ৭ শতাংশ এবং যুক্তরাজ্যে থাকেন এঁদের ৬ শতাংশ। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়া বা ব্রেক্সিট পর্বের জন্য ব্রিটিশ পাউন্ডের দাম পড়ে গেছে, তাই মিলিয়নেয়ারের সংখ্যা ৩৪ হাজার কমে এখন ২১.৯ লক্ষে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাজ্যের ৫ কোটি ১০ লক্ষ প্রাপ্ত বয়স্কের অর্ধেকেরই সম্পদের পরিমাণ ১০ লক্ষ মার্কিন ডলার বা তার বেশি।