.jpeg)
শুভেন্দু অধিকারী।
শেষ আপডেট: 10 December 2024 15:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হিন্দুদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে এবার গ্রামে গ্রামে হিন্দু রক্ষা কমিটি তৈরির ডাক দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন ঘোজাডাঙা সীমান্ত থেকে শুভেন্দুর অভিযোগ, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মদতে ১ কোটি রোহিঙ্গা এ রাজ্যে ঢুকেছে। হিন্দুদের অস্তিত্ব সঙ্কটে। তাই হিন্দুদের রক্ষা করতে হলে অবিলম্বে গ্রামে গ্রামে ধর্ম রক্ষা কমিটি গড়তে হবে।"
বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর ঘটে চলা ধারাবাহিক নির্যাতনের প্রতিবাদে এর আগে পেট্রাপোল সীমান্তে বিক্ষোভ অবস্থান করেছেন বিরোধী দলনেতা। এবার ঘোজাডাঙা সীমান্তে বিক্ষোভ দেখালেন তিনি। নির্যাতনের প্রশ্নে বাংলাদেশের ইউনুস সরকারকেও চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।
শুভেন্দু বলেন, "বাংলাদেশ তো ভারতের ওপর নির্ভরশীল। ওরা এত বড় বড় কথা বলে কী করে? বলছে, কলকাতার দখল নেবে! জেনে রাখুন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাসবাদ ধ্বংস করে কাশ্মীরে ভারতের ঝাণ্ডা উড়িয়েছেন, চিনের সঙ্গেও সামরিক শক্তিতে পাল্লা দেওয়ার ক্ষমতা ভারতের রয়েছে। হাসিমারায় ৪০ টা যুদ্ধ বিমান রয়েছে, ২টো পাঠালেই কাজ হয়ে যাবে। কীভাবে শায়েস্তা করতে হয় জানি!"
ভারত ৯৭ পণ্য না পাঠালে বাংলাদেশের ভাত-কাপড় জুটবে না বলেও ইউনুস সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে আক্রমণ শানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। শুভেন্দুর অভিযোগ, দেশের সীমান্ত সুরক্ষার স্বার্থে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নবান্নে এসে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন। রাজ্যের অসহযোগিতায় বাংলাদেশ সীমান্তে এরাজ্যের ৯৩১ কিলোমিটার এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া যাচ্ছে না। অথচ রাজ্য এখনও জমি সমস্যা জিইয়ে রেখেছে।
শুভেন্দুর অভিযোগ, সীমান্ত ঘেরা হয়ে গেলে অনুপ্রবেশ বন্ধ হয়ে যাবে। তাই রাজ্য সরকার এ কাজে কেন্দ্রকে সহযোগিতা করছেন না।
সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে মন্ত্রিসভা থেকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, "বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন হচ্ছে। অথচ ইউনুসের সরকারকে সমর্থন জানাচ্ছেন মমতার মন্ত্রিসভার সদস্য। উনি যদি সত্যি হিন্দুদের ভাল চান, তাহলে অবিলম্বে মন্ত্রিসভা থেকে সিদ্দিকুল্লাহকে বহিষ্কার করুন।"
বাংলাদেশ ইস্যুতে এরাজ্যের হিন্দুরা একজোট বাঁধতে শুরু করায় মুখ্যমন্ত্রী সুর বদলাচ্ছেন বলেও দাবি করেছেন শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতার কথায়, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝে গিয়েছেন শুধু ৩০ শতাংশ দিয়ে ভোট বৈতরণী পার হওয়া যাবে না। উনি বুঝতে পারছেন, বাকি ৭০ শতাংশ এক হয়েছে। তাই মুখ্যমন্ত্রীর সুর বদলাচ্ছে।"