দ্য ওয়াল ব্যুরো: সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ড নিয়ে একের পর এক বিতর্ক। নাগাড়ে তোপ দেগে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই সব কিছুর মধ্যেই দেশের পারমানবিক প্রকল্পের উন্নয়নের দিকে নজর দিলেন সৌদি যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমন।
সামাজিক নানা সংস্কারের চমক তো তিনিই আগেই দেখিয়েছেন। এ বার জোর দিলেন দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দিকেও। সৌদির সরকারি সাংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, সোমবার দেশের প্রথম পরমাণু চুল্লির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সলমন। পাশাপাশি, রিয়াধের কিং আবদুলাজিজ শহরে আরও সাতটি পরমাণু প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন তিনি। তবে, কী ধরণের প্রকল্প বা পরমাণু চুল্লি সম্পর্কে আপাতত মুখে কুলুপ এঁটেছে ওই সংবাদ মাধ্যম।
সৌদি যুবরাজ জানিয়েছেন, ইরানও তাদের পারমাণবিক গবেষণার দিকে মন দিয়েছে। সুতরাং রিয়াধও করবে। দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছেন তিনি। আগামী দু'দশকে দেশে আরও ১৬টি পরমাণু চুল্লি তৈরি হবে বলেও আভাস দিয়েছেন তিনি।
পশ্চিম এশিয়ায় চূড়ান্ত ক্ষমতা কায়েম করার লক্ষে সৌদি আরব বনাম ইরানের টানাপড়েন নতুন কিছু নয়। এবং সেই দ্বৈরথে আমেরিকা চিরকালই মদত জুগিয়ে এসেছে। সৌদি যুবরাজ এর আগে বলেছিলেন, "সৌদি আরব পরমাণু বোমার পক্ষে নয়। কিন্তু, ইরান যদি তা তৈরি করে, তা হলে যত শীঘ্র সম্ভব আমরাও সে পথে হাঁটব।"
প্রসঙ্গত, পেট্রোলিয়ামের উপর নির্ভরতা কমাতে সৌদি আরব পরমাণু শক্তি উৎপাদনের পরিকল্পনা করছে বলেই মনে করা হচ্ছে। সে দেশে পরমাণু চুল্লী তৈরির বরাত পাওয়া নিয়ে প্রতিযোগিতাও চলছে বিশ্বের বিভিন্ন শক্তিধর রাষ্ট্রের মধ্যে। এই তালিকায় রয়েছে আমেরিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া, চিনের মতো রাষ্ট্র।