Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

বাল্য বিবাহ রোধে পূর্ব বর্ধমানের পথে হাঁটল বীরভূম! শপথ নিলেন অভিভাবকরা 

জেনে শুনে মা-বাবারা কি চাইবেন তার সন্তানকে বিপদের মুখে ঠেলে দিতে? 

বাল্য বিবাহ রোধে পূর্ব বর্ধমানের পথে হাঁটল বীরভূম! শপথ নিলেন অভিভাবকরা 

ফাইল ছবি।

শেষ আপডেট: 29 March 2025 15:34

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নাবালিকা বিয়ে ঠেকাতে (Underage Marriage) আগেই গোয়েন্দা নিয়োগ করেছে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। হাতে কলমে মিলেছে সাফল্যও। এবার অনেকটা সেই কায়দাতেই বীরভূম জেলা প্রশাসনও বাল্য বিবাহ রোধে বড় পদক্ষেপ করল।

গত ২৬ মার্চ জেলার উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চ বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্র প্রতিটির ছাত্রীদের অভিভাবকদের ডেকে শপথ বাক্য পাঠ করালেন প্রশাসনের কর্তারা।

তাঁরা সমবেত স্বরে এই শপথ নিলেন যে, ‘জেলা জুড়ে একই স্বর, বাল্যবিবাহ, বাল্যশ্রম রোধ কর।’ শুধু শপথ বাক্য পাঠ করানোই নয়, সচেতনতা লক্ষ্যে ওই দিন বেলা বারোটার সময় প্রতিটি স্কুলে তিনবার করে ঘন্টাও বাজানো হয়।

সমগ্র উদ্যোগটির নেপথে রয়েছেন বীরভূমের জেলাশাসক বিধান রায়। হঠাৎ এমন উদ্যোগ কেন? জেলাশাসক বলেন, "শুধু আইন করে তো আর বাল্যবিবাহ রোধ করা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রতিটি মানুষকে সচেতন হতে হবে। বিশেষ করে ছাত্রীদের পরিবারকে। সেজন্যই এই উদ্যোগ।"

শুধু শপথ বাক্য পাঠ করানো নয় ওই দিনের আলোচনায় প্রতিটি অভিভাবক-অভিভাবিকাদের এও বোঝানো হয় যে, নিয়ম না মানলে অর্থাৎ ১৮র আগে কন্যা সন্তানের বিয়ে দিলে আদতে মেয়েটি ভবিষ্যতে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যার মুখে পড়বে। অর্থাৎ জেনে শুনে মা-বাবারা কি চাইবেন তার সন্তানকে বিপদের মুখে ঠেলে দিতে? 

প্রশাসন সূত্রে খবর, সম্প্রতি জেলায় হঠাৎ করে বেড়ে গিয়েছে নাবালিকা বিবাহের ঘটনা। এরকম বেশ কয়েকটি ঘটনা, সামনে আসার পরই জেলাশাসক এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

এর আগে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন বাল্যবিবাহ রোধে বিভিন্ন এলাকায় প্রচার অভিযানের পাশাপাশি স্থানীয়দের নিয়ে সোর্স গড়ে তোলেন। প্রশাসনের পরিভাষায় 'গোয়েন্দা'। 

 জেলা প্রশাসন জানাচ্ছে, নাবালিকা বিয়ে ঠেকাতে গ্রামে গ্রামে সচেতনতার প্রচার করা হয়েছিল। তখনই প্রশাসনের তরফে এলাকার কিছু শিক্ষক, সাধারণ মানুষের নম্বর নেওয়া হয়েছিল। খবর জানানোর জন্য তাঁদের দেওয়া হয়েছিল প্রশাসনিক নম্বরও। কীভাবে গোয়েন্দাগিরি করতে হবে, তা আগ্রহী মানুষকে পরে হাতে কলমে বোঝানোও হয়েছিল।

তার ফল স্বরূপ, কোথাও সানাইয়ের সুর কানে এলেই সঙ্গে সঙ্গে খবর যাচ্ছিল প্রশাসনের কাছে। ফলে জেলায় বাল্যবিবাহ অনেকখানি রোধ করা গিয়েছে। এবার পূর্ব বর্ধমানের দেখানো পথে হাঁটল বীরভূম জেলা প্রশাসনও। সাফল্য মিলল কিনা তার উত্তর মিলবে সময়েই।


```