.webp)
শেষ আপডেট: 26 October 2023 16:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেন্দ্রীয় এজেন্সির স্বচ্ছতা নিয়ে ফের বড় প্রশ্ন তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, “অভিষেকের বাবার কাছে অভিষেকের বিষয়ে ৮২/৮৩ সালের তথ্য জানতে চাইছে। আরে অভিষেক তো জন্মেইছে ৮৭ সালে!”
প্রবাদে আছে রাম না জন্মাতেই রামায়ণ লেখা হয়েছিল। নিয়োগ মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে ইডির তদন্ত যেন সেই পথে এগোচ্ছে বলে বোঝাতে চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অর্থাৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ থেকেই তল্লাশির নামে পরিকল্পিতভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী সেটাই বোঝাতে চেয়েছেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
পুজোর আগে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের বাড়িতে দিনভর তল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আজ বালুর বাড়িতে গিয়েছে। পুজোর আগের দিন মনে হয় রথীনের বাড়ি রেড করেছিল। ববির বাড়িতেও রেড করেছিল। ববির বউয়ের কাছে শুনছিলাম, তদন্তের নামে বাড়িতে গিয়ে চিনি, ঘিয়ের কৌটোও উল্টে দিয়েছে। কটা শাড়ি আছে, কটা কসমেটিকস আছে তারও ছবি তুলেছে। যা ইচ্ছে তাই করে যাচ্ছে।”
এরপরই কেন্দ্রীয় এজেন্সির নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী, “একটাও কি বিজেপির ডাকাত, মন্ত্রী, চোরেদের বাড়ি রেইড হয়েছে?” খানিক থেমে জবাবও দিয়েছেন নিজেই। মমতার কথায়, “সুপ্রিম কোর্টও বলেছে যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ না থাকলে এসব করা যায় না। তা সত্বেও এসব করছে। স্রেফ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এমনটা করা হচ্ছে।”
যে কারণে ইডির তদন্তকারী অফিসারদেরও নিয়ম বিরুদ্ধভাবে সময়ের আগেই বদলি করে দেওয়া হয়েছে বলেও এদিন জোরাল অভিযোগ এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীকেও এই বিষয়ে নজর দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে বলেছেন, “আমি চেয়ারকে সম্মান করি। কিন্তু আমি বিজেপির এই প্রতিহিংসার রাজনীতি বরদাস্ত করব না। কতজনকে জেলে ভরবে। চেষ্টা করে দেখো, সবাইকে জেলে ভরলেও বাংলায় ভোট মিলবে না। একজন খুন হলে পরিবারের অন্যজন এগিয়ে আসবে তাঁর স্বপ্ন পূরণ করার জন্য। এটাই বাংলার পরম্পরা।”