
শেষ আপডেট: 5 May 2023 16:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গোয়ায় নিরুত্তাপ পরিবেশেই শেষ হল সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (Shanghai cooperation organisation) বৈঠক। যেমন মনে করা হয়েছিল, বাস্তবে তাই হল, আলাদা করে পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রী বিলাবল ভুট্টোকে কোনওরকম কূটনৈতিক খাতির যত্ন করা হল না ভারতের তরফে। এমনকী ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে একবারই মাত্র বিলাবলের সাক্ষাৎ হল (S Jaishankar meets Bilawal Bhutto)। অনুষ্ঠান মঞ্চে দু’জনে নমস্কার বিনিময় করেন। হাত মেলাননি। দেখা যায়, জয়শঙ্কর হাতের ঈশারায় পাক বিদেশমন্ত্রীকে পোডিয়ামের দিকে এগিয়ে যেতে বললেন।
বলা চলে বিলাবলের সামনে জয়শঙ্কর নিজেকে খানিকটা গুটিয়েই রেখেছিলেন। অন্যদিকে, বিলাবল ছিলেন সদা হাসিমুখ। পরে সাংবাদিকদের বিলাবল বলেন, ‘ক্যামেরার সামনে পাশাপাশি দাঁড়াতে আমার কোনও অস্বস্তি হয়নি। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হয়েছে কি না তিনি বলতে পারবেন।’

দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মঞ্চ নয় বলে ভাষণে কাশ্মীর প্রসঙ্গ টানেননি বিলাবল। কিন্তু সাংবাদিক বৈঠকে হাতিয়ার করেন কাশ্মীরকেই। তাঁর কথায়, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে হিন্দুস্থানকেই আগে পদক্ষেপ করতে হবে। ফিরিয়ে দিতে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা। প্রসঙ্গত, ২০১৯এ-এর অগাস্টে মোদী সরকারের কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদার ৩৭০ নন্বর অনুচ্ছেদটি প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
অন্যদিকে, জয়শঙ্কর ভাষণে পাকিস্তানের নাম না করলেও বক্তব্যের অনেকটা অংশ জুড়ে ছিল জঙ্গিবাদের নিন্দা। তাঁর বক্তব্য, সব দেশকে এক সুরে জঙ্গিবাদের বিরোধিতা করতে হবে। অর্থাৎ জয়শঙ্করের কৌশল ছিল বাকি রাষ্ট্রনেতাদের উপস্থিতিতে বিলাবলকে বুঝিয়ে দেওয়া, তাঁর দেশ কাশ্মীরে জঙ্গিদের মদত দেওয়া বন্ধ না করলে ভারত পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহ দেখাতে রাজি নয়।
সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকে যোগ দিতে প্রায় দশ বছর পর পাকিস্তানর কোনও মন্ত্রী ভারতে এসেছিলেন। বিলাবলের সঙ্গে জয়শঙ্করের একান্তে কথা হয় কি না তা নিয়ে কৌতুহল তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী একান্ত বৈঠক করেছেন রাশিয়া, চিন এবং কাজাখস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে। অন্যদিকে, বিলাবলও গোয়ায় অন্য কয়েকটি দেশের বিদেশ মন্ত্রীর সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন।
হাওড়া স্টেশনের ‘বড় ঘড়ি’ বুড়ো হল, সেঞ্চুরির দুয়ারে কোটি সাক্ষাতের ঠিকানা