পূর্বাভাস ছিলই। আজ, মঙ্গলবার সন্ধে থেকেই তা সত্যি হল। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপটে ঝড়বৃষ্টি শুরু হল জেলায় জেলায়। আজ দুপুর থেকেই কলকাতার আকাশ ছিল মেঘলা। বৃষ্টির সম্ভাবনা ঘনায় অন্ধকার নামার পরেই।
কলকাতা সংলগ্ন হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও শুরু হয় জোরদার বৃষ্টি। ঝড় ওঠে ঘূর্ণিপাক-সহকারে। অনেকেই বলেন, এ যেন অকালবৈশাখী! নাগেরবাজার থেকে এয়ারপোর্ট অঞ্চলে বেশ কিছুক্ষণ শিলাবৃষ্টিও হয়।
এদিন বিকেল থেকে টিপটিপ বৃষ্টি শুরু হয় আসানসোলে। আচমকা বৃষ্টিতে ছাতা-রেনকোট জোগাড় করে ছোটেন সকলে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে ঝাড়খণ্ড-বাংলা সীমান্ত-লাগোয়া এলাকাতেও বৃষ্টি শুরু হয়।
বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি শুরু হয় মেদিনীপুরেও। কখনও ঝিরঝির, কখনও মাঝারি বৃষ্টি হল মেদিনীপুর শহর ও সংলগ্ন এলাকায়। বিকেলে ঝাড়গ্রামের বিভিন্ন জায়গাতেও শুরু হয় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি।
কৃষকদের ইতিমধ্যেই সতর্ক করা হয়েছে বৃষ্টির ব্যাপারে। জোরালো বৃষ্টি নামার আগেই তাঁরা যাতে খেতের ফসল তুলে ফেলেন, সেই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জমিতে যাতে জল না জমে, সে ব্যাপারেও সতর্ক করা হয়েছে।
দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে কোথাও হালকা, কোথাও মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি রয়েছে শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও।