
শেষ আপডেট: 14 May 2018 11:30
এর মাঝে নানা খাত দিয়ে বয়েছে পঞ্চায়েতের জল। গ্রামের আলপথ পেরিয়ে সে জল কখনও এসেছে গঙ্গা পারের হাইকোর্টে আবার কখনও গিয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। অবশেষে আদালতের নির্দেশেই ভোট। শুধু ভোটের দিন নয়। দিন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে আদালত জানিয়ে দিয়েছিল কীভাবে ভোট করতে হবে। ভোটে সন্ত্রাস হলে তার জন্য কে দায়ী থাকবে। জীবনহানি হলে তার ক্ষতিপূরণ কী পদ্ধতিতে নেওয়া হবে তাও স্পষ্ট করেছিল আদালত। এত রক্ষাকবচ পরিয়েও রক্ষা করা গেল না শান্তি। ঘণ্টায় ঘণ্টায় বাড়তে থাকল লাশের সংখ্যা।
আরও পড়ুন এখনও সিপিএম! জ্যান্ত পুড়ে গেলেন দম্পতি
কোথাও হরির লুটের বাতাসার মতো ব্যালট পেপার উড়ল আকাশে কোথাও সবাই ভোট দিয়ে ফেললেন সকাল সাড়ে আটটার মধ্যে। কোথাও মন্ত্রী গিয়ে চড় কষালেন বিরোধী এজেন্টের গালে কোথাও আবার বেলা দশটার সময় নিজেদের কাজ মিলিয়ে দেখতে ব্যালট বাক্স খুলে গুনতে শুরু করে দিলেন ভোট।
আরও পড়ুন ভোট ঘিরে হিংসা জেলায় জেলায়
লাশ পড়েছে একাধিক সিপিএম কর্মীর। মৃত্যু হয়েছে বিজেপি কর্মীর। অভিযোগ উঠেছে শাসকের দিকে। কোথাও আবার খুন হয়ে গিয়েছেন শাসক দলের কর্মীও। ফলে প্রশ্ন উঠছেই কোথায়
নির্বাচন কমিশন? কোথায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা?
আরও পড়ুন মমতার নির্দেশও উড়ে গেল উন্নয়নে
সন্ধ্যে ছ'টা পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের। বোম-বন্দুকের অবাধ আস্ফালন, পুলিশের সামনে দেদার ছাপ্পা থেকে রুমালে মুখ ঢেকে বাইক বাহিনীর তান্ডব। ভোটের ডায়েরিতে কোলাজ হয়ে থাকল এই ফ্রেমগুলিই।
আরও পড়ুন ভোটের বলি ১৩
৬৬ শতাংশ আসনের ভোটে এই। এখনও ৩৪ শতাংশ ঝুলে রয়েছে আদালতে। ৩ জুলাই সেই মামলার শুনানি। ফলে প্রশ্ন উঠছেই, ৬৬ শতাংশে যদি এই হয় ১০০ শতাংশে ভোট হলে কী হতো?