দ্য ওয়াল ব্যুরো: এই কেরালা দলটিকে একেবারে অচেনা দেখা গেল। যারা ম্যাচের শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ করে গিয়ে গিয়েছে এস সি ইস্টবেঙ্গল বক্সে। প্রথম পাঁচ মিনিটের মধ্যেই তিনটি গোলের সুযোগ।
কেরালা ব্লাস্টার্স দলটিও যথেষ্ট চাপে রয়েছে। তাদের এই ম্যাচের আগে ১০ ম্যাচে নয় পয়েন্ট, আর লাল হলুদের একই সংখ্যক ম্যাচে ১০ পয়েন্ট। সেই কারণে দুটি দলের তুল্যমূল্য লড়াই বিচার করলে দেখা যাবে কেরালা অনেক ভাল খেলেছে শুক্রবার ম্যাচের প্রথমার্ধে।
https://twitter.com/sc_eastbengal/status/1350078442184830979
কেরল দলের কোচ কিবু ভিকুনার ম্যাচ কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনও মানে হয় না। কারণ তাঁর গেম রিডিং অত্যন্ত ভাল। তাঁর দল ক্লিক করছে ঠিক মতো উইনিং লাক সঙ্গ দিচ্ছে না বলে। এদিন তারা বিরতির আগেই মোট চারটি কর্ণার আদায় করে নিয়েছে। সেদিক থেকে ইস্টবেঙ্গল কেন শুরু থেকে এত রক্ষণাত্মক খেলল, ভাবা যায়নি।
দলের প্রথম একাদশেও সমস্যা রয়েছে। কেন শুরুতেই হরমনপ্রিৎ সিং ভাবা যায়নি। কেন ব্রাইটকে অ্যাটাকিং থার্ডে রেখে দেওয়া হল, বোধগম্য নয়। তিনি দলের জেনুইন স্ট্রাইকার, তাঁকেও কেন এত আড়াল করে রাখা হবে।
কেরল গোলের সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি। ইস্টবেঙ্গল সেই অর্থে গোলের সুযোগ তৈরিতে ব্যর্থ। সেই কারণেই খেলার ফল গোলশূন্য প্রথমার্ধ শেষে।
https://twitter.com/KeralaBlasters/status/1350065972091133952
এস সি ইস্টবেঙ্গল : দেবজিৎ মজুমদার, স্কট নেভিল, ড্যানি ফক্স, রানা ঘরামি, নারায়ণ দাস, অঙ্কিত মুখোপাধ্যায়, মিলন সিং, মাট্টি স্টেইনম্যান, ব্রাইট এনোবাখারে, হরমনপ্রিৎ সিং, জ্যাক মাঘোমা।
কেরালা ব্লাস্টার্স : আলবিনো গোমস, সন্দীপ সিং, নিশু কুমার, কোস্টা হামেনিসউ, জেসেল করনেরো, ভিসেন্টে গোমেজ, জিকসন সিং, আবদুল সামাদ, ফাকুন্দো পেরেরা, গ্যারি হুপার, জর্ডন মারে।