
শেষ আপডেট: 5 August 2018 09:37
প্রথম সেটে শুরুটাও সেরকমই করেছিলেন সিন্ধু। একের পর এক প্লেসিংয়ে তুলে নিচ্ছিলেন পয়েন্ট। নিজের ছন্দ খুঁজে পাচ্ছিলেন না মারিন। একটা সময় ৯-৪ পয়েন্টে এগিয়ে যান সিন্ধু। তারপরেই নিজের ছন্দ পেলেন মারিন। বাঁ হাতি হওয়ায় কোর্টের অ্যাঙ্গল ব্যবহার করে পয়েন্ট তুলতে লাগলেন। শেষ মুহূর্তে স্নায়ুর চাপ বজায় রেখে ২১-১৯ পয়েন্টে প্রথম সেট জিতে নেন মারিন।
দ্বিতীয় সেটে সিন্ধুকে দাঁড়ানোর জায়গা দিলেন না। লম্বা লম্বা র্যালি খেলে ক্লান্ত করলেন সিন্ধুকে। বাধ্য করলেন ঝুঁকির শট নিতে। আর সেই ফাঁদে পা দিয়ে আর ফিরতে পারলেন না সিন্ধু। সহজেই ২১-১০ পয়েন্টে দ্বিতীয় সেট জিতে চ্যাম্পিয়ন হলেন মারিন। রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো সিন্ধুকে।
কিন্তু কেন বারবার ফাইনালে এসে মারিনের কাছেই হারতে হয় সিন্ধুকে। মারিন বধের কি কোনও টোটকা এখনও খুঁজে পাননি সিন্ধু ও তাঁর কোচ পুলেল্লা গোপীচাঁদ। বিশ্লেষকরা বলছেন সিন্ধু কয়েক বছরে নিজের খেলায় অনেক উন্নতি করলেও যেখানে পিছিয়ে যাচ্ছেন, সেটা হচ্ছে তাঁর ফিটনেস। আর তাঁর এই দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়েই লম্বা র্যালি খেলে ম্যাচ বের করে নিয়ে যাচ্ছেন মারিন। অলিম্পিকেও সেটাই হয়েছিল। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালেও দেখা গেল প্রথম সেট ভালো খেললেও দ্বিতীয় সেটে দাঁড়াতেই পারলেন না সিন্ধু।