নিজের জেদ ছেড়ে হাঁটু মুড়লেন ডি’কক, কৃষ্ণাঙ্গ বিপ্লবে তিনিও সহযোদ্ধা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিজের জেদ ধরে বসেছিলেন। যে কারণে গত ম্যাচে কুইন্টন ডি’কককে (Quinton de Kock) দলে নেয়নি দক্ষিণ আফ্রিকা (South Africa)। ডি’কক জানিয়েছিলেন, তিনি বর্ণবিদ্বেষী (Racism) বিপ্লবে সায় দেবেন না। তাই মাঠে অন্যান্য ক্রিকেটাররা হাঁটু ম
শেষ আপডেট: 30 October 2021 13:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিজের জেদ ধরে বসেছিলেন। যে কারণে গত ম্যাচে কুইন্টন ডি’কককে (Quinton de Kock) দলে নেয়নি দক্ষিণ আফ্রিকা (South Africa)। ডি’কক জানিয়েছিলেন, তিনি বর্ণবিদ্বেষী (Racism) বিপ্লবে সায় দেবেন না। তাই মাঠে অন্যান্য ক্রিকেটাররা হাঁটু মুড়ে বসলেও তিনি বসবেন না।
দক্ষিণ আফ্রিকা বোর্ডও জানিয়ে দেয়, তোমাকে দলে আসতে হলে বাকিদের মতোই কৃষ্ণাঙ্গ বিপ্লবে রাজি হতে হবে। পরে অবশ্য কুইন্টন নিজের যুক্তি দিয়ে বলেছিলেন, তিনিও বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে, কিন্তু প্রতিবাদের এমন প্রয়োগ তাঁর পছন্দ নয়।
শ্রীলঙ্কা ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের দিকে তাক করা ছিল ক্যামেরা। তিনি হাঁটু মুড়ে বসতেই হাজার ফ্ল্যাশবাল্বের ঝলকানি। দেখা গেল হাঁটু মুড়ে ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটারে অংশ নিলেন ডি’কক।
আরও পড়ুন: শামির পাশে দাঁড়ালেন বিরাট, সমালোচকদের তীব্র আক্রমণ ভারত অধিনায়কের
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে কৃষ্ণাঙ্গ বিপ্লবে রাজি না হওয়ায় ডি’কককে দল থেকে বাদ দিয়েছিল ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা। গত পরশু ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে নিজের আচরণের জন্য ক্ষমাও চেয়ে নেন ডি’কক। তারপরই তাঁকে বিশ্বকাপে খেলার অনুমতি দেয় দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট বোর্ড।
একটা সময় বিশ্ব ক্রিকেটে দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবিদ্বেষের বীজ মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছিল। সেইসময় হ্যানসি ক্রোনিয়ে দলের অধিনায়ক ছিলেন। ক্রিকেটের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে ইডেনে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলেছিলেন। সেই দেশের একজন ক্রিকেটার হয়ে ডি’কক কেন এই যুদ্ধে নিজেকে প্রথমে জড়াতে চাননি, সেটাই অবাক লেগেছিল সকলের।
দক্ষিণ আফ্রিকা বোর্ড একবার নিয়মও করে, দলে একজন কৃষ্ণাঙ্গ ক্রিকেটার রাখতেই হবে। সে একাধিক হলেও ক্ষতি নেই। সেই হিসেবেই দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ অধিনায়ক হয়েছেন তেম্বা বাভুমা।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'