রচনা লিখে ফার্স্ট হয়েছিলেন প্রকাশ কারাট, '৬৪-র টোকিও অলিম্পিকে ছিলেন মাঠে
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফিরে এল ৫৭ বছর আগের স্মৃতি। কিছুটা ঝাপসা হলেও অনেকটাই মনে রয়েছে। যা নিয়ে নস্টালজিক সিপিএমের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক তথা পলিটব্যুরোর সদস্য প্রকাশ কারাট। একটি ইংরাজি সর্বভারতীয় দৈনিকে নিজের সেই অলিম্পিক দর্শনের অভিজ্ঞতা লিখেছ
শেষ আপডেট: 24 July 2021 15:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফিরে এল ৫৭ বছর আগের স্মৃতি। কিছুটা ঝাপসা হলেও অনেকটাই মনে রয়েছে। যা নিয়ে নস্টালজিক সিপিএমের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক তথা পলিটব্যুরোর সদস্য প্রকাশ কারাট। একটি ইংরাজি সর্বভারতীয় দৈনিকে নিজের সেই অলিম্পিক দর্শনের অভিজ্ঞতা লিখেছেন প্রকাশ।
১৯৬৪ সালে টোকিও অলিম্পিকের কয়েক মাস আগে এশিয়ার দেশগুলিতে স্কুল ছাত্রদের মধ্যে রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছিল একটি জাপানি সংস্থা এবং সংবাদপত্র দ্য হিন্দু। বিষয় এশিয়ায় অনুষ্ঠিত প্রথম অলিম্পিকের তাত্পর্য। ভারত থেকে সেই প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছিলেন প্রকাশ কারাট। তখন তাঁর বয়স ১৬ বছর। চেন্নাইয়ের একটি হাই স্কুলের পড়ুয়া তখন প্রকাশ।
ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপিনস-সহ এশিয়ার আটটি দেশ থেকে একজন করে স্কুল ছাত্র প্রথম হয়েছিল। পুরস্কার ছিল অলিম্পিক দর্শন। সেটাই বর্ষীয়ান সিপিএম নেতার প্রথম বিদেশ যাওয়া।
৫৭বছর পর সেই টোকিওতেই অলিম্পিক হচ্ছে। প্রকাশ লিখেছেন, "সেই অলিম্পিক ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসাবশেষ থেকে উঠে দাঁড়ানো জাপানের অলিম্পিক। যা এশিয়ায় অনুষ্ঠিত প্রথম অলিম্পিকও বটে। এবার কোভিড মহামারীর মধ্যে অলিম্পিক হচ্ছে সেই টোকিওতেই।"

বুলেট ট্রেন সফরের স্মৃতিমেদুরতা উঠে এসেছে প্রকাশের নিবন্ধে। তিনি এও লিখেছেন, অলিম্পিক দর্শনের জন্য ফরমাল পোশাকের প্রয়োজন ছিল। ব্লেজার যার অন্যতম। সেইসময় তাঁর ব্লেজার ছিল না। তা তৈরির জন্য আলাদা করে এক হাজার টাকা পেয়েছিলেন তিনি।
ভারত-পাকিস্তান হকি ফাইনাল মাঠে বসে দেখেছিলেন প্রকাশ। সিপিএম নেতা লিখেছেন অত্যন্ত 'রাফ' ম্যাচ হয়েছিল। তবে গ্যালারি উত্তেজনায় ফুটছিল। পেনাল্টি থেকে করা একমাত্র গোলে '৬৪-র টোকিও অলিম্পিকে সোনা জিতেছিল ভারত।
১৬ বছর বয়সে নিজের রচনায় প্রকাশ তুলে ধরেছিলেন জাপানের প্রযুক্তিগত বিকাশের ধারাবাহিকতা। দ্য হিন্দু পত্রিকার তত্কালীন ক্রীড়া সম্পাদক সুন্দর রাজন বলেছিলেন, এটা রচনা হয়নি। একটা থিসিস পেপারে পরিণত হয়েছে।
প্রকাশ এমনিতেই ছোট থেকে মেধাবী ছাত্র। স্কুলের পর জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর মার্কশিট দেখলে অনেককেই চমকে উঠতে হয়। একুশের অলিম্পিক পর্বে স্মৃতির সরণি বেয়ে ফের নিজের স্কুল জীবনে ফিরে গেলেন এই তাত্বিক কমিউনিস্ট নেতা।