
আলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে হতাশ রোহিত শর্মা
শেষ আপডেট: 10 February 2025 14:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারত বনাম ইংল্যান্ড দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্য়াচ চলাকালীন কেন নিভল আলো? এই ব্যাপারে বরাবাটি স্টেডিয়াম আধিকারিকদের কাছে জবাব চাইল ওড়িশা সরকার। এই ঘটনায় বেশ খানিকক্ষণ ম্যাচ বন্ধ রাখতে হয়। সূত্রের খবর, স্টেডিয়াম আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে শো-কজ নোটিশ জারি করা হয়েছে। আধঘণ্টা কেন ম্য়াচ বন্ধ রাখা হল, সেই ব্যাপারে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে।
জয়ের জন্য ৩০৫ রানের টার্গেট সামনে রেখে ব্যাট করতে নেমেছিলেন টিম ইন্ডিয়ার দুই ওপেনার রোহিত শর্মা এবং শুভমান গিল। সপ্তম ওভারের প্রথম বলটা হতে না হতেই আচমকা মাঠের একটি ফ্লাডলাইট দপদপ করতে শুরু করে। কিছুক্ষণ পর ওই স্ট্যান্ডের পঞ্চত্বপ্রাপ্তি ঘটে। বিষয়টা টেকনিক্যাল ত্রুটি হলেও, ওড়িশা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের মুখ যে এই ঘটনায় কালিমালিপ্ত হয়েছে, সেটা আর আলাদা করে বলার দরকার পড়ে না।
মাঠেই বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করছিলেন রোহিত শর্মা এবং শুভমান গিল। কিন্তু, আলো না ফেরার কারণে ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়কও বেশ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। আম্পায়ারের সঙ্গে আলোচনা করার পর শুভমানকে নিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। ততক্ষণে বিসিসিআই আধিকারিকরা বেশ নড়েচড়ে বসেন। কেন খেলা চলাকালীন আলো নিভে গেল, তা নিয়ে শুরু হয় তদন্ত। আর সেই তদন্তের রিপোর্টেই উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। সূত্রের খবর, ফ্লাডলাইটগুলো জেনারেটরের সাহায্যে জ্বালানো হয়েছিল। কিন্তু, আচমকা সেই জেনারেটর বিগড়ে যায়। আর সেকারণেই আলো নিভে গিয়েছিল।
এই ঘটনায় মাঠের একটা অংশ অন্ধকারে ডুবে যায়। সরকারের থেকে পাঠানো নোটিশে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, ওড়িশা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনকে (OCA) আগামী ১০ দিনের মধ্যে জবাবদিহি করতে হবে। ওড়িশা সরকারের ওই শো-কজ নোটিশে লেখা রয়েছে, 'গত রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) কটকের বরাবাটি স্টেডিয়ামে ভারত বনাম ইংল্যান্ড দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু, এই ম্যাচ চলাকালীন আচমকা মাঠের একটি ফ্লাডলাইট বন্ধ হয়ে যায়। এই ঘটনায় প্রায় ৩০ মিনিট খেলা বন্ধ রাখতে হয়েছিল। সেকারণে ক্রিকেটার এবং দর্শকদের অনেকটা সমস্যার মুখে পড়তে হয়।'
সঙ্গে আরও যোগ করা হয়েছে, 'এই মর্মে ওড়িশা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, তারা যেন এই ব্যাপারে একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট দাখিল করে। এই ঘটনার পিছনে কে বা কারা জড়িত রয়েছে, তাদের নামও সামনে আনতে হবে। পাশাপাশি আগামীদিনে কীভাবে এমন সমস্যা মোকাবিলা করা যায়, সেই ব্যাপারেও একটা নীল-নকশা দিতে হবে। এই চিঠি হাতে পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে যাবতীয় জবাব দিতে হবে।'