মাথা গরম করে লাল কার্ড, তিন ম্যাচ নির্বাসনে বিশ্বকাপের ফরাসি নায়ক
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিশ্বকাপের স্বপ্নের ফর্ম ধরে রেখেছিলেন ক্লাবের হয়েও। প্রথম চার ম্যাচেই করে ফেলেছিলেন ৫ গোল। কিন্তু মাথা গরম করে লাল কার্ড দেখলেন রাশিয়া বিশ্বকাপের ফরাসি নায়ক কিলিয়ান এমব্যাপে। ফলে আগামী তিন ম্যাচের জন্য মাঠের বাইরেই থাকতে হ
শেষ আপডেট: 6 September 2018 11:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিশ্বকাপের স্বপ্নের ফর্ম ধরে রেখেছিলেন ক্লাবের হয়েও। প্রথম চার ম্যাচেই করে ফেলেছিলেন ৫ গোল। কিন্তু মাথা গরম করে লাল কার্ড দেখলেন রাশিয়া বিশ্বকাপের ফরাসি নায়ক কিলিয়ান এমব্যাপে। ফলে আগামী তিন ম্যাচের জন্য মাঠের বাইরেই থাকতে হচ্ছে তাঁকে।
লিগা ওয়ানে প্রথম তিন ম্যাচ জয়ের পর অ্যাওয়ে ম্যাচে নাইমসের বিরুদ্ধেও ৪-২ গোলে জয় তুলে নিয়েছে পিএসজি৷ কিন্তু দল জিতলেও লাল কার্ড দেখে পরবর্তী তিন ম্যাচের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হচ্ছে কিলিয়ান এমব্যাপেকে। জোড়া গোল করে এদিনও ম্যাচের নায়ক হয়েছিলেন বছর উনিশের এই ফরাসি স্ট্রাইকার।
কিন্তু শেষ বাঁশি বাজার আগের মুহূর্তেই নাটক। পিএসজি’র চতুর্থ গোলের পর খেলা শুরু হতেই এমব্যাপেকে জঘন্য ফাউল করেন নাইমস মিডিফিল্ডার স্যাভেনিয়ার। কড়া ট্যাকেলের ফলে গোলমুখে আগুয়ান পিএসজি স্ট্রাইকার মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এমব্যাপেকে ফাউল করা নিয়ে দু’দলের ফুটবলাররা বচসায় জডিয়ে পড়েন। এরই মধ্যে সকলকে অবাক করে উঠে দাঁড়িয়ে স্যাভেনিয়ারকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন এমব্যাপে। ঘটনা চোখ এড়ায়নি রেফারির। এমব্যাপে এবং স্যাভেনিয়ার দু’জনকেই লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠের বাইরে বের করে দেন তিনি।

এমব্যাপের শাস্তি কতটা গুরুতর তা বিচারের জন্য বিষয়টি লিগা ওয়ান শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির কাছে যায়। এমনকি শুনানির জন্য ডেকেও পাঠানো হয় তাঁকে। কিন্তু উয়েফা নেশন লিগের ম্যাচ খেলতে এমব্যাপে এই মুহূর্তে মিউনিখে থাকায় শুনানিতে হাজির থাকতে পারেননি তিনি। স্যাভেনিয়ারকে ঠেলে ফেওয়ার বিষয়টি মোটেই ভালোভাবে নেননি শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সদস্যরা৷ পরিস্থিতি বিচার করে এমব্যাপেকে পরবর্তী তিনটি লিগা ওয়ান ম্যাচের জন্য নির্বাসিত করে কমিটি।
এর ফলে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর সেন্ট এটিনে, ২৩ সেপ্টেম্বর রেনেঁ এবং ২৬ সেপ্টেম্বর রেইমসের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে পারবেন না তিনি। যদিও ১৯ সেপ্টেম্বর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে লিভারপুলের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে অসুবিধা নেই ফরাসি খেলোয়াড়ের।
গত মরশুমে রেকর্ড অর্থের বিনিময়ে মোনাকো থেকে এই ফরাসি স্ট্রাইকারকে সই করিয়েছিল প্যারিস সেন্ট জার্মেইন। দারুণ খেলে ক্লাবকে ফ্রান্সের চ্যাম্পিয়নও করেছিলেন তিনি। এমব্যাপে, নেমার ও কাভানি'র ত্রিফলায় নাস্তানাবুদ হয়ে গিয়েছিল বিপক্ষ দলেরা। সেই ফর্মেই বিশ্বকাপে খেলেছেন। বিশ্বকাপের সেরা উঠতি খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণত, ঠাণ্ডা মাথার এমব্যাপেকেও দেখা গেল মাথা গরম করতে। ফলে আগামী তিন ম্যাচ বেঞ্চে বসেই সতীর্থদের খেলা দেখতে হবে তাঁকে।