দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা সংক্রমণের পরে প্রথমবার শুরু হয়েছে টেস্ট ক্রিকেট। মাঠে নেমেছে ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু প্রথম টেস্টে প্রোটোকল ভাঙায় জরিমানা করা হয়েছে ইংল্যান্ডের পেস বোলার জোফ্রা আর্চারকে। সেইসঙ্গে দ্বিতীয় টেস্টে তাঁকে বসিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু এই কাজের জন্য তাঁকে বর্ণবিদ্বেষের মুখে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আর্চার। আর তাই তৃতীয় টেস্টে খেলতে চান না বলেই জানিয়েছেন তিনি।
প্রথম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হারতে হয় ইংল্যান্ডকে। তারপরেই ইসিবি জানায়, প্রোটোকল ভেঙেছেন আর্চার। তাঁর এই দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের ফলে দলের অন্য ক্রিকেটার ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটারদেরও ঝুঁকি হতে পারত বলে জানায় ইসিবি। এই কারণে আর্চারকে শাস্তি দেওয়া হয়। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের কাছে চিঠি লিখে ক্ষমা চান আর্চারও। তিনি বলেন, তিনি দোষ করেছেন। তার জন্য উপযুক্ত শাস্তি পেয়েছেন তিনি। ভবিষ্যতে এই ঘটনা আর হবে না বলেও আশ্বস্ত করেন এই পেসার।
এই ঘটনার পরেই নাকি সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আর্চার। ডেইলি মেল সূত্রে খবর, আর্চার জানিয়েছেন, তিনি ভুল করেছেন। কিন্তু কোনও অপরাধ করেননি। তাহলে কেন তাঁর বিরুদ্ধে এই ধরনের মন্তব্য করা হবে।
আর্চার জানিয়েছেন, “আমি জানি আমি ভুল করেছি। তার ফল আমাকে ভোগ করতে হয়েছে। তিনি আমি কোনও অপরাধ করিনি। তাহলে কেন আমার সঙ্গে এই ধরনের ব্যবহার করা হবে। আমাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্য করা হচ্ছে। এতে মানসিকভাবে আমার উপর প্রভাব পড়ছে।”
এই অবস্থায় মাঠে নামা তাঁর পক্ষে খুব কষ্টকর বলে জানিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাত এই ক্রিকেটার। তিনি বলেন, “আমি মাঠে নামার আগে মানসিকভাবে ১০০ শতাংশ তৈরি থাকতে চাই। কারণ, আমি মাঠে নেমে নিজের সেরাটা দিতে চাই। মাঠে নেমে যদি আমি মানসিকভাবে ১০০ শতাংশ তৈরি না থাকি তাহলে ৯০ মাইল প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে বল করতে পারব না। আর সেটা যদি না হয়, তাহলে অনেক কথা হবে। আমার ৯০ মাইল প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে বল না করতে পারা নিয়ে অনেক কথা হবে। সেটা আমি চাই না।”
এর আগেও অবশ্য নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে দর্শকদের কাছে বিদ্রুপের শিকার হন আর্চার। তখনও অভিযোগ জানিয়েছিলেন তিনি। এবার তিনি জানিয়েছেন, “আমাকে ইন্সটাগ্রামে যে ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, তার মধ্যে অনেকগুলিই বর্ণবিদ্বেষমূলক। তাই আমি ঠিক করেছি আমার অভিযোগ ইসিবিকে জানাব।”