দ্য ওয়াল ব্যুরো: চালকের আসনে ইংল্যান্ড। আর এই কাজটি যার জন্য সম্ভব হয়েছে, তিনি দলের অধিনায়ক জো রুট। তিনি নিজের সেঞ্চুরি টেস্টে সেঞ্চুরি করে এক বিশেষ নজির গড়লেন। টেস্ট ক্রিকেটে নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি নিজের একশোতম টেস্টে সেঞ্চুরি করেছেন।
এর আগে এই রেকর্ড গড়ার নজির গড়েছিলেন রিকি পন্টিং, জাভেদ মিয়াদাঁদ, গ্রেম স্মিথ, হাসিম আমলাদের মতো তারকারা। তৃতীয় ব্রিটিশ হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন তিনি। ১৯৬৮-র অ্যাশেজে প্রথম এই কীর্তি গড়েন কলিন কাউড্রে। তিনি ছা়ড়া অপর ইংরেজ ব্যাটসম্যান হিসেবে এই কীর্তি রয়েছে অ্যালেক স্টুয়ার্টের। যদিও পন্টিং সেঞ্চুরি টেস্টে দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি করেছেন, এই নজির আর কারোর নেই।
প্রথম দিনের খেলা শেষে ইংল্যান্ডের রান ৮৯.৩ ওভারে ২৬৩/৩। রুট অপরাজিত রয়েছেন ১২৮ রানে। সিবলি দিনের একেবারে শেষ বলে আউট হয়েছেন, তাঁর অবদান ৮৭।
অস্ট্রেলিয়ার মাঠে তাদের হারিয়ে ঘরের মাঠে নেমেছিল ভারতীয় দল। এদিন অবশ্য শুরুতেই চমক ছিল ভারতীয় দলের প্রথম একাদশে। চিপকে ম্যাচের আগেই হাঁটুর চোটে ছিটকে যান অলরাউন্ডার অক্ষর প্যাটেল। তাঁর জায়গায় স্ট্যান্ডবাই খেলোয়াড়দের তালিকা থেকে দলে নেওয়া হয় শাহবাজ নাদিম এবং রাহুল চাহারকে।
এর মধ্যে থেকে প্রথম একাদশে সুযোগও পেয়ে যান ঝাড়খণ্ডের শাহবাজ। অন্যদিকে, কুলদীপ নন, প্রথম একাদশে সুযোগ পান ওয়াশিংটন সুন্দর। আর দুই পেসার হিসেবে খেলছেন ইশান্ত এবং বুমরা।
যদিও দিনের শুরুতে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। রোরি বার্নস এবং সিবলি শুরুটাও ভাল করেন। ওপেনিং জুটিতে তাঁরা যোগ করেন ৬৩ রান। এই জুটি শেষপর্যন্ত ভাঙেন অশ্বিন। আউট করেন বার্নসকে (৩৩)। এরপর তিন নম্বরে নামা ড্যান লরেন্স অবশ্য শূন্য রানেই ফেরেন। তাঁকে ফেরান বুমরা। কিন্তু এরপর চতুর্থ উইকেটে সিবলি-রুট ইংল্যান্ড ইনিংসের হাল ধরেন। জুটিতে দু’জনে যোগ করে ২০০ রান। তবে শেষ ওভারে সিবলিকে ৮৭ রানে ফেরান বুমরা। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে অশ্বিন একটি এবং বুমরা দু’টি উইকেট নেন।
নতুন বছরে অপ্রতিরোধ্য ফর্মে রয়েছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক জো রুট। শ্রীলঙ্কা সফরে দুটি বড় রানের ইনিংস খেলে আসার পর ভারতের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টেও জমিয়ে বসেছেন। শততম টেস্টে শতরান করেই নতুন কীর্তি স্থাপন করলেন ইংরেজ ব্যাটসম্যান। তাঁর নাম জুড়ে গেল ক্রিকেটের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যানদের সঙ্গে।