
শেষ আপডেট: 1 September 2018 18:52
বিরতির থেকে ফিরে এসে প্রথম বলেই ফের উইকেট হারায় ইংরেজরা। শামির দুরন্ত ইনসুইঙ্গারে ঠকে যান বেয়ারস্টো। প্রথম বলেই শুন্য রানে ক্লিন বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। উল্টোদিকে যদিও ক্রিজ আঁকড়ে পড়েছিলেন রুট। কিন্তু ব্যক্তিগত ৪৮ রানের মাথায় শামির ডাইরেক্ট থ্রো'তে রান আউট হয়ে যান ইংরেজ অধিনায়ক। ১২২ রানে পঞ্চম উইকেটের পতন হয় ইংল্যান্ডের। ৫ উইকেটে ১৫২ রান নিয়ে চা বিরতিতে যায় ইংল্যান্ড।
ফিরে এসে তৃতীয় সেশনের শুরুতেই স্টোকসের উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। দলের ব্যাটিংয়ের হাল ধরেন বাটলার-কুরান জুটি। সপ্তম উইকেটে ৫৫ রান যোগ করে ভারতকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেয় এই জুটি। অর্ধশতরান পূর্ণ করে বাটলার ৬৯ রানে আউট হলেও দিনের শেষ অবধি টলানো যায়নি কুরানকে। ৩৭ রানে অপরাজিত তিনি। দিনের শেষ বলে শামির ডেলিভারিতে ১১ রানে আউট হন রশিদ।
সাউদাম্পটনের উইকেট থেকে যেরকম সুবিধা নিয়েছিলেন মঈন আলি, সেরকম পারলেন না অশ্বিন। সারাদিন হাত ঘুরিয়ে মাত্র ১ উইকেট এল তাঁর ঝুলিতে। তৃতীয় দিনে শামির হাত ধরেই ম্যাচে টিকে রইল কোহলির দল।
দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান ৮ উইকেটে ২৬০। এর মধ্যেই ২৩৩ রানের লিড তাঁদের। চতুর্থ দিনের শুরুতেই ইংল্যান্ডের ইনিংস শেষ করতে না পারলে সাউদাম্পটন সিরিজে সমতা ফেরানোর স্বপ্ন হয়তো অধরাই থেকে যাবে বিরাট বাহিনীর।