
শেষ আপডেট: 1 September 2018 13:00
এখনও অবধি লিগে যেকটা ম্যাচ খেলেছে ইস্টবেঙ্গল তাতে গোল হজম করতে হয়েছে মাত্র ১টি। কিন্তু বিপক্ষের জালে বল জড়াতে শুধু স্ট্রাইকাররা নন, কাজের কাজ করে দেখিয়েছেন মিডিও এমনকী ডিফেন্ডারও। গত ম্যাচেই পয়েন্ট খোয়াতে বসা ইস্টবেঙ্গলকে গোল করে মশাল জ্বালিয়েছিলেন ডিফেন্সে নামা কৌশিক সরকার। এছাড়াও কখনও গোল এসেছে ব্র্যান্ডনের পা থেকে কখনও আবার পেনাল্টি থেকে গোল তুলে নিয়েছেন চুলোভা। সিরিয়ান আল আমনা, সেনেগালের কাশিম আইদারা তো আছেনই। আর এটাকেই টিমের সবচেয়ে শক্তিশালী দিক বলে মনে করছে ইস্টবেঙ্গল কর্তা থেকে সমর্থক প্রায় সকলেই।
রবিবারই ইস্টবেঙ্গল জার্সিতে অভিষেক হবে অ্যাকোস্টার। প্রথম ম্যাচই বড় ম্যাচ। কী করবেন সেটা বোঝা যাবে যুবভারতীর ঘাসেই। ফুটবল মহলে মতে, ডিকা এমন একজন স্ট্রাইকার যে, ৫০-৫০ বলকেও নেট করে দিতে পারেন। গত আইলিগের শেষ ডার্বিতেও সেটা করে দেখিয়েছেন ক্যামেরুনের এই স্ট্রাইকার। কিন্তু এ বার তাঁকে পড়তে হবে বিশ্বকাপারের ডিফেন্সের সামনে। লিগের একাধিক ম্যাচে বাগানের পালে একাই হাওয়া দিয়েছেন ডিকা। অনেকের মতে তাঁকে আটকে দিতে পারলেই অর্ধেক কাজ হয়ে যাবে ইস্টবেঙ্গলের।
বড় ম্যাচ টানটান স্নায়ু যুদ্ধ। তাই রবিবারের ডার্বিতে অন্য দুই লড়াইও দেখা যাবে বলে মনে করছে ফুটবল বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশ। কী সেই লড়াই? মেহেতাব বনাম কিংশুক। ইস্টবেঙ্গলের ঘরের ছেলে বনে যাওয়া মেহেতাব এ বার মোহনবাগানে। আর বাগানের ঘরের ছেলে হয়ে যাওয়া শ্রীরামপুরের কিংশুক এ বার লাল-হলুদে। বহু বড় ম্যাচ খেলেছেন দু’জনেই। মেহেতাবের যেমন অনেক বছর আগে সবুজ-মেরুন জার্সিতে বড় ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে কিংশুকের তা নেই। কিংশুক যা ডার্বি খেলেছেন সবটাই মোহনবাগানের হয়ে। ফলে ইস্টবেঙ্গল জার্সিতে কিংশুকের লড়াই আর মোহনবাগানের জার্সিতে মেহেতাবের লড়াই উত্তেজনার পারদ বেশ খানিকটা বাড়িয়ে দেবে বলেই মনে করছে ময়দানি জনতা।
সম্ভাব্য একাদশ-
গোলকিপার- রক্ষিত ডাগর
ডিফেন্স- জনি অ্যাকোস্টা, কিংশুক দেবনাথ, লালরাম চুলোভা, সামাদ আলি মল্লিক
মিডফিল্ড- আল আমনা, কাশিম আইদারা, ব্র্যান্ডন, ডানমাওয়াইয়া, কমলপ্রীত সিং
স্ট্রাইকার- জবি জাস্টিন
সম্প্রচার- বিকেল ৪.৩০টা, সাধনা নিউজ (ফেসবুক এবং ইউটিউব চ্যানেলেও খেলা দেখা যাবে)