দ্য ওয়াল ব্যুরো: দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলার ব্যাটিং ব্যর্থ। কিন্তু তারপরেও সেমিফাইনাল জিতে এক যুগ পরে রঞ্জির ফাইনালে ওঠার আশা অনেকটাই জীবিত বাংলা শিবিরে। সৌজন্যে প্রথম ইনিংসের বিশাল লিড। কর্ণাটকের দ্বিতীয় ইনিংসে দলকে টানছেন দেবদত্ত পাল্লিকাল। সঙ্গে রয়েছেন মনীশ পাণ্ডে। কিন্তু এখনও পাল্লা ভারী বাংলার দিকেই। দরকার মাত্র ৭টা উইকেট।
দ্বিতীয় দিনের শেষে ৪ উইকেট পড়েছিল বাংলার। ক্রিজে ছিলেন সুদীপ চট্টোপাধ্যায় ও অনুষ্টুপ মজুমদার। তৃতীয় দিনের শুরুতেই ৪৫ রানের মাথায় সুদীপের উইকেট হারায় বাংলা। দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটে রান এল অনুষ্টুপের। ৪১ করলেন তিনি। কিন্তু তাঁকে বিশেষ কেউ সঙ্গ দিতে পারলেন না। শ্রীবৎস শূন্য রানে আউট হলেন। শাহবাজ আহমেদ করলেন ৩১। শেষ পর্যন্ত ১৬১ রানে অলআউট হল বাংলা। কর্ণাটকের অভিজ্ঞ পেসার মিথুন ৪ উইকেট নেন।
কর্ণাটকের জয়ের জন্য টার্গেট দাঁড়ায় ৩৫২। কিন্তু প্রথম ওভারেই ধাক্কা দেন সেই ঈশান পোড়েল। লোকেশ রাহুলকে শূন্য রানে প্যাভিলিয়নে পাঠান তিনি। অন্য ওপেনার সমর্থ করেন ২৭। অধিনায়ক করুণ নায়ার ৬ করে আউট হন। কিন্তু এর মধ্যেই দলের ব্যাটিংকে টেনে নিয়ে গেলেন তরুণ দেবদত্ত পাল্লিকাল। হাফসেঞ্চুরি করলেন তিনি। তৃতীয় দিনের খেলা শেষ হওয়া পর্যন্ত কর্ণাটকের রান ৩ উইকেটে ৯৮। দেবদত্ত ৫০ ও মনীশ পাণ্ডে ১১ করে ব্যাট করছেন। এখনও বাংলাকে হারাতে ২৫৪ রান করতে হবে কর্ণাটককে। অন্যদিকে বাংলার দরকার ৭ উইকেট।
চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে দু’দলের জন্য। এমনিতেই ইডেনের উইকেটে প্রথম সেশনে কিছুটা সুবিধা পান বোলাররা। এই সময়কে কাজে লাগাতে চাইবেন বাংলার পেস ত্রয়ী। অন্যদিকে কর্ণাটকও জানে, প্রথম সেশনটা উইকেট না হারিয়ে খেলে দিতে পারলে চাপে পড়বে বাংলা। কারণ পরের দুই সেশনে ব্যাট করা অনেক সহজ। দেবদত্ত ভাল খেলছেন। মনীশ পাণ্ডে, কৃষ্ণাপ্পা গৌতমরা যথেষ্ঠ অভিজ্ঞ। তাই তাঁদের উপরেই রয়েছে রান করার দায়িত্ব।
অর্থাৎ আগামীকাল প্রথম সেশনেই বোঝা যাবে খেলা কার দিকে ঝুঁকছে। যদিও এই মুহূর্তে বলা যায়, অ্যাডভান্টেজ বাংলা।