দ্য ওয়াল ব্যুরো : ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সদর দফতরে করোনার হানা। এবার খোদ মুম্বইয়ের ক্রিকেট সেন্টারে প্রবেশ করল ভাইরাস। বিসিসিআই-র এক সূত্র থেকে জানা গিয়েছে যে, এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের করোনার লক্ষ্মণ দেখা গিয়েছে। তিনি হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। যদিও এও বলা হয়েছে তিনি বোর্ডের জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে কাজে নিযুক্ত ছিলেন। মনে করা হচ্ছে, এনসিএ (ন্যাশনাল ক্রিকেট অ্যাকাডেমি)-তে আরও কয়েকজনের শরীরে এই ভাইরাসের লক্ষ্মণ থাকতে পারে। বোর্ডের এক কর্তা জানান, শুধু আইপিএলের আসরেই নয়, এখানেও আমাদের সতর্ক হয়ে চলতে হচ্ছে।
সম্প্রতি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কোভিড ১৯-র পরীক্ষা নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা মিলেছে যে দুবাইতে আইপিএলের আসরে ক্রিকেটারদের পরীক্ষার জন্য তারা মোট ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে। মোট ২০ হাজার বার পরীক্ষা হবে নানা ক্ষেত্রে নানা মানুষের। প্রতিজনের খরচ ধরা হয়েছে ৩৯৭০ টাকা। প্রসঙ্গত, আইপিএল শুরু হবে ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে, চলবে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত।
করোনা থাবা প্রথম বসিয়েছিল চেন্নাই শিবিরে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, সব ফ্রাঞ্চাইজি দল যখন ঘর থেকে সরাসরি বিমান ধরেছে, সেইসময় ধোনিরা কেন আলাদাভাবে শিবির করতে গেলেন? ওই সময়ই যে করোনাভাইরাস বংশবিস্তার করেছে, সেটিও জানা গিয়েছে। চেন্নাইয়ের মোট ১৩জন সদস্য কোভিড-১৯-র শিকার হয়েছিলেন। যদিও সিএসকে (চেন্নাই সুপার কিংস) সিইও কাশী বিশ্বনাথন জানান, ‘‘করোনা নিয়ে আমাদের দারুণ প্রতিরোধ নেওয়া হয়েছে। সেই জন্য সংখ্যাটি আর বাড়েনি।’’ কিন্তু আবার এও ঠিক, বিসিসিআই-র কাছে সিএসকে নিয়ে অন্যান্য ফ্রাঞ্চাইজি দলগুলি চিঠি দিয়ে নালিশ জানিয়েছে। এই বিষয়ে মুখ্য আধিকারিক বলেন, ‘‘আমরা কারোর রিপোর্ট পজিটিভ পেলে তাকে ১৪ দিনের হোম আইসোলেশনে পাঠিয়ে দিয়েছি। তাই ওই সময়ের পরে তার রিপোর্ট স্বাভাবিকভাবেই নেগেটিভ এসেছে। তাই কাউকেই বাড়তি আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।’’
আইপিএল হবে তিনটি শহরে, দুবাই, আবুধাবি ও শারজা। প্রতিটি দলের কাছে বোর্ডের তরফে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। এমনকি আরবের ক্রিকেট প্রশাসনও সদাসতর্ক। ওই দেশে করোনা সেভাবে থাবা বসাতে না পারলেও আচমকা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে যাতে না যায়, তার জন্য নিয়মিত পরীক্ষা করা হচ্ছে ক্রিকেটারসহ খেলার সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি সদস্যকেই।